জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।রায়ে অন্য তিন আসামি কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে হানিফসহ চার আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।হানিফসহ ৪ জনের সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্ত করে জুলাই ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বণ্টনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।এর আগে, ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২।আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
নিখোঁজের একদিন পর ঢাকার তুরাগ নদ থেকে কে এম তাহসিন সাউরি (২৮) নামে বিমানবাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নৌপুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন।এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত তাহসিন সাউরি বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন।টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ খবর পেয়ে গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে টঙ্গী ফাঁড়ির নৌপুলিশ তুরাগ নদের রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদ থেকে তাহসিনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাহসিনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা যাবে বলে উল্লেখ করে নৌপুলিশের কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন বলেন, তাহসিন সপরিবার উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তিনি নিখোঁজ হন। তার বাবার নাম কে এম এনায়েত হেলাল।তবে এ বিষয়ে পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবনিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সকল প্রকার ভয়-ভীতি ও পক্ষপাতিত্ব উপেক্ষা করে অসহায় মানুষকে সেবা দেওয়ার মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে এবং সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর সারদায় পুলিশ অ্যাকাডেমিতে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ও ৪৩তম ক্যাডেট এসআই-২০০৬ ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সমাপনী কুচকাওয়াজে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচের ১৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।প্রশিক্ষণে অসামান্য পারদর্শিতার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট ওমর ফারুক, বেস্ট অ্যাকাডেমিক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিস সাইফুল ইসলাম, বেস্ট শুটার মো. আসাদুজ্জামান, ৪৩তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচের শ্রেষ্ঠ ক্যাডেট: মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বেস্ট অ্যাকাডেমিক মো. বোরহানুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিস: দেওয়ান গোলাম রসুল, বেস্ট শুটার: মো. কামাল গনি।উল্লেখ্য, ৬ মাসের দীর্ঘ মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্টগণ নিজ নিজ ইউনিটে যোগদান করবেন। অন্যদিকে, ৪৩তম ক্যাডেট এসআইরা ৬ মাসের প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষানবিশ এসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে দেশের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।অনুষ্ঠানে মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাকাডেমির প্রিন্সিপাল (অ্যাডিশনাল আইজিপি) মো. মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি।এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরীর উদ্যোগে গাজার শিশুদের জন্য ১ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।এই অর্থ গাজার অসহায় শিশুদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যয় করা হবে এই অর্থ।হামজা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ সফল করতে যারা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, অর্থ দিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন নুজুম স্পোর্টসকে। এই আয়োজন বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছে।সংগৃহীত অর্থ পাবে ‘চিলড্রেন নট নাম্বার্স’ নামের একটি সংস্থা। গাজায় শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তা নিয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। সংস্থাটির মাধ্যমে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।এই উদ্যোগে সফল হলেও হামজা মনে করেন, গাজার শিশুদের দুর্ভোগের তুলনায় এই সহায়তা খুবই সামান্য। আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, ছোট উদ্যোগও মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।পোস্টের শেষাংশে ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য প্রার্থনা করেছেন হামজা। তাদের কষ্ট দূর করার পাশাপাশি শক্তি, ধৈর্য ও স্থায়ী শান্তি কামনা করেছেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার।
সন্তান জন্মের পর শারীরিক ওজন বেড়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। তবে এসব সমালোচনা নিয়ে বিচলিত নন তিনি। বরং জীবনের এই বিশেষ সময়টা উপভোগ করতে চান এই অভিনেত্রী। তার মতে, মানুষের পরিবর্তনশীল মতামতের কারণে জীবনের আনন্দময় মুহূর্তগুলো নষ্ট হতে দেওয়া উচিত নয়।সম্প্রতি ‘ভোগ ইন্ডিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব, শরীরের পরিবর্তন ও নিজের ফিটনেস নিয়ে কথা বলেছেন ক্যাটরিনা।অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ক্যাটরিনার এক বছর বয়সী ছেলে ভিহান। গত সেপ্টেম্বরে মুকেশ আম্বানির পরিবারের আয়োজিত গণেশ চতুর্থীর অনুষ্ঠানে স্বামীর সঙ্গে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। সন্তান জন্মের পর সেটিই ছিল জনসমক্ষে তার প্রথম দিকের উপস্থিতিগুলোর একটি। অনুষ্ঠানে হাস্যোজ্জ্বল দম্পতির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই ক্যাটরিনার শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে ওজন বৃদ্ধি নিয়ে ট্রলের মুখে পড়েন তিনি।সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা বলেন, সন্তান জন্ম দেওয়ার পর একজন নারীর শরীরের মধ্য দিয়ে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, তা অধিকাংশ মানুষেরই জানা। তার পরও কেউ যদি সেই পরিবর্তিত শরীরকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতে চান, সেটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘সন্তান জন্ম দেওয়ার পর একজন নারীর শরীরে কী পরিবর্তন আসে, তা অধিকাংশ মানুষেরই জানা। এরপরও কেউ যদি সেই শরীরকে কঠোর দৃষ্টিতে বিচার করতে চান, সেটি তার ব্যক্তিগত পছন্দ। তথ্যের অভাবকে এর জন্য দায়ী করা যায় না, কারণ এ বিষয়ে প্রচুর তথ্য রয়েছে। আমি শুধু জীবনের এই সুন্দর সময় এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথের দিকে মনোযোগ দিতে চাই।’বিতর্কের পর প্রথম দিকের মন্তব্যে ক্যাটরিনা আরও বলেন, ‘আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি, যেখানে মানুষের পরিবর্তনশীল মতামতের বাতাস আমাদের এদিক-ওদিক ঠেলে নিয়ে যেতে চায়।’সন্তান জন্মের পর আগের শারীরিক গঠনে দ্রুত ফিরে যাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্যাটরিনা। তার কাছে বিষয়টি কেবল ওজন কমিয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার নয়, বরং জীবনের নতুন অধ্যায়কে গ্রহণ করার।‘আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া? কোথা থেকে ফিরে যাব?’ এমন প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আমার হৃদয়ের গভীরে থাকা একটি আকাঙ্ক্ষার দিকে এক ধাপ এগিয়েছি। তাহলে আবার পেছনে ফিরতে চাইব কেন?’সন্তান জন্মের পরের অনুভূতির কথা জানিয়ে ক্যাটরিনা বলেন, ‘সন্তান জন্ম দেওয়ার পর প্রথম কয়েক দিন ভিহানের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা এবং উপলব্ধি করা যে আমার ও ভিকির চার বছরের যাত্রা আমাদের এই মুহূর্তে এনে দিয়েছে, তা ছিল ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’নিজের ফিটনেস নিয়ে সচেতন ক্যাটরিনা। তিনি বলেন, শরীর যখন সবচেয়ে বেশি কর্মক্ষম ও প্রাণবন্ত বোধ করে, সেই অবস্থায় ফিরতে চান তিনি। তবে তাড়াহুড়ো করে নয়, নিজের গতিতেই সেই লক্ষ্যে পৌঁছাবেন।সন্তান জন্মের পর শারীরিক পরিবর্তনের কারণে সমালোচনার মুখে পড়া বলিউড তারকাদের মধ্যে ক্যাটরিনা একা নন। অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের মন্তব্যের মুখোমুখি হয়েছেন। তার মেয়ে আরাধ্যার বয়স ১৪ বছর। চলতি বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বরিয়ার লালগালিচায় উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা হয়েছে।শরীরের পরিবর্তন ও ট্রল নিয়ে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা কাইফতবে তারকাদের শরীর নিয়ে অযৌক্তিক প্রত্যাশার বিরুদ্ধে বলিউডের অনেকেই সরব হয়েছেন। মাধুরী দীক্ষিত, সালমান খান, মৃণাল ঠাকুর ও পরিণীতি চোপড়াসহ একাধিক তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের শারীরিক গঠন নিয়ে অতিরিক্ত চর্চার সমালোচনা করেছেন।মাতৃত্বের পর শরীরের পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা এবং অন্যের মন্তব্যের চেয়ে নিজের সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়ার যে বার্তা ক্যাটরিনা দিয়েছেন, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে।সূত্র: সিয়াসাত
১০০ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র অনুষ্ঠিত হবে রোববার (১ নভেম্বর)। এ ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী পাবেন ৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।সাধারণ মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াতে সরকার বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড চালু করে। প্রাইজবন্ডের অন্যতম সুবিধা হলো, এটি যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। পাশাপাশি নির্ধারিত ড্রয়ে বিজয়ী হলে বন্ডের বিপরীতে পুরস্কারের অর্থ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।প্রাইজবন্ডের ড্রয়ে ঘোষিত প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের বিপরীতে সব সিরিজের একই নম্বরের বন্ড পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে।নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ড্রয়ের তারিখের আগের ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ড এ ড্রয়ের আওতায় থাকবে। এ ক্ষেত্রে বন্ড বিক্রির দিন গণনায় অন্তর্ভুক্ত হলেও ড্রয়ের তারিখ গণনা করা হবে না।আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ দেওয়া হবে।সাধারণত প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত তারিখে সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র আয়োজন করা হয়।
৪ ঘন্টা আগে
বিপদ-আপদ কখন আসবে, তা কেউ জানে না। কখনও কোনো ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে কিংবা অপ্রত্যাশিত বিপদের ভয় হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুমিনের শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (স.) বিপদের আশংকায় বিশেষ দোয়া পড়তেন। এ ছাড়া সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার জন্যও দোয়া পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন।১. কারও অনিষ্টের আশংকা হলে পড়বেন اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাঊযু বিকা মিন শুরুরিহিম।অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা তাদের মোকাবিলায় তোমাকেই সামনে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ক্ষতির আশংকা করলে রাসুলুল্লাহ (স.) এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭)২. সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার দোয়াبِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُউচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামায়ি, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের সঙ্গে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধায় যে বান্দা তিনবার এ দোয়া পাঠ করবে কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (জামে তিরমিজি: ৩৩৮৮)৩. আল্লাহর ওপর ভরসা প্রকাশের দোয়াحَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُউচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।সুরা আলে ইমরানের ১৭৩ নম্বর আয়াতে এই বাক্য উল্লেখ রয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপের সময় তিনি এই বাক্য বলেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সময়েও শত্রুর বড় বাহিনীর হুমকির মুখে সাহাবিরা তা বলেছিলেন। (সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩)দোয়ার পাশাপাশি সতর্কতাও জরুরিবিপদের আশংকা হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারও কাছ থেকে ক্ষতির আশংকা থাকলে নিরাপদ স্থানে যাওয়া, বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে জানানো এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া জরুরি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে যথাসাধ্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।তথ্যসূত্র: সুরা আলে ইমরান: ১৭৩; সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩; সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭, ৫০৮৮; জামে আত-তিরমিজি: ৩৩৮৮
মাংসের পিঠা একটি সুস্বাদু এবং মজাদার বাঙালি খাবার যা বিশেষ করে উৎসবের সময় তৈরি করা হয়। এটি মাংসের কিমা এবং মশলার সমন্বয়ে তৈরি একটি মুখরোচক খাবার।মাংসের পিঠা একটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার যা মাংসের কিমা এবং মশলা দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সাধারণত উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়।উপকরণমাংসের কিমা - ১ কাপপেঁয়াজকুচি - ১ কাপধনেপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচগরম মসলা গুঁড়া - ১ চা চামচআদা বাটা - ১ চা চামচরসুন বাটা - আধা চা চামচআতপ চালের গুঁড়া - ৩০০ গ্রামলবণ - স্বাদমতোতেল - ভাজার জন্যপ্রস্তুত প্রণালিএকটি সসপ্যানে লবণ ও পানি জ্বাল দিয়ে বলক উঠলে তাতে চালের গুঁড়া দিন।মৃদু আঁচে ঢাকনা দিয়ে তিন-চার মিনিট দমে রেখে ভালোভাবে নেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুটা গরম অবস্থায় মাখিয়ে নিন।ছোট ছোট লেচি কেটে রুটি আকারে বেলে নিন।একটি ফ্রাইপ্যানে ৪ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে কিমা, পেঁয়াজ, আদা বাটা, রসুন বাটা, গরম মসলা, ধনেপাতা ও লবণ দিয়ে পুর তৈরি করুন।পুর ঠান্ডা হলে রুটির টুকরোর ভিতর পুর দিয়ে পছন্দমতো আকার গড়ে নিন।ডুবোতেলে ভেজে সস দিয়ে পরিবেশন করুন।পরিবেশনমাংসের পিঠা গরম গরম পরিবেশন করুন। সাথে সস বা চাটনি পরিবেশন করতে পারেন।রান্নার টিপসপুর তৈরি করার সময় মশলার পরিমাণ আপনার স্বাদ অনুযায়ী সামঞ্জস্য করুন। পিঠা ভাজার সময় তেলের তাপমাত্রা মাঝারি রাখুন যাতে পিঠা ভালোভাবে ভাজা হয়।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ পিএইচপিতে নতুন একটি নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঁচ শতাধিক ওয়েবসাইট চরম সাইবার ঝুঁকিতে পড়েছে। সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্ট এ বিষয়ে জরুরি সতর্কবার্তা দিলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েবসাইটের পুরোনো সংস্করণ হালনাগাদ করেনি। ফলে দেশের ডিজিটাল সেবার নিরাপত্তা ও নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেহাত হওয়ার মারাত্মক শঙ্কা তৈরি হয়েছে।বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইটের ব্যাক-এন্ড বা নেপথ্যের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রেই পিএইচপি ব্যবহৃত হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যালিফ ও উইজ-এর গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে পিএইচপিতে দুটি গুরুতর ত্রুটি শনাক্ত করেন, যা ২১ অক্টোবর সংশোধন করে পিএইচপি কর্তৃপক্ষ।কিন্তু ২৩ অক্টোবর পিএইচপির সেশন ব্যবস্থাপনা ও ফাইল আপলোডের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জায়গায় নতুন আরেকটি ত্রুটি ধরা পড়ে, যার কোনো নিরাপত্তা সংশোধনী (প্যাচ) এখনো প্রকাশিত হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা সহজেই সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা চালানোর সুযোগ পেয়ে যেতে পারে।বিজিডি ই-গভ সার্টের সাইবার থ্রেট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নজরদারিতে দেখা গেছে, দেশের আর্থিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি সাইটসহ অন্তত পাঁচ শতাধিক ওয়েবসাইট এই মুহূর্তে ঝুঁকিতে রয়েছে।সার্টের প্রকল্প পরিচালক নাজমুল হক খন্দকার জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়েবসাইটের এই সংখ্যা বেশ উদ্বেগজনক। যেহেতু নতুন ত্রুটির কোনো প্যাচ এখনো আসেনি, তাই সম্ভাব্য সাইবার হামলা ঠেকাতে সার্ট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পিএইচপির ‘সেশন আপলোড প্রগ্রেস’ সুবিধা সাময়িক বন্ধ রাখা, সার্ভারের প্রয়োজনীয় সেবা পুনরায় চালু করা, বিন্যাস পরীক্ষা করা এবং যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছে।সতর্ক করার পরও অনেক প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তা হালনাগাদে চরম গাফিলতি করছে। একটি বেসরকারি হোস্টিং কোম্পানির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) জুনায়েদ মিয়াজী বলেন, “অনেকে ওয়েবসাইট সচল থাকাকেই নিরাপদ থাকার লক্ষণ মনে করেন। এ কারণে নিয়মিত সফটওয়্যার হালনাগাদ ও ত্রুটি সংশোধনের বিষয়ে তারা গাফিলতি করেন।”দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর নিরাপত্তায় সার্ট মূলত সাইবার হুমকি শনাক্ত ও সতর্কবার্তা দেওয়ার কাজ করে। কিন্তু সেই নির্দেশনা মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার সুনির্দিষ্ট কেউ নেই।তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির মনে করেন, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হলেও জাতীয় পর্যায়ে সাইবার নিরাপত্তার একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানগুলো সেই নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কি না, তা যাচাই ও নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী তদারকি কাঠামো থাকা অপরিহার্য।