ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৭২ জন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গু সংক্রান্ত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনর বাইরে ৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডেঙ্গুতে দুজন করে, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, আগস্টে ৪৩ জন ও সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন মারা যান।গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৩১২ জন।আর ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৯৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৬০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩২৩ জন, খুলনা বিভাগে ২৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭৬ জন, রংপুর বিভাগে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৩ জন।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ছয়জনের পরিচয় মিলেছে। তারা সবাই একই পরিবারের বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচ নারী ও পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে।শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন পাটোয়ারটেক সৈকতের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। এ ঘটনায় দগ্ধ আরও ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।নিহতরা হলেন- ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ।কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।দগ্ধ ৬ জন হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করেছেন। দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।রিসোর্টের রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে আগামী ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। এ ক্ষেত্রে দাম্মাম বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া সাপেক্ষে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, রিয়াদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়ার পর ওই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে যাত্রীদের যথাসময়ে জানানো হবে।এদিকে, সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা রুটে বিমানের ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা এ দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন।যাত্রীদের সুবিধার্থে মদিনা রুটে অধিক যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে বিমান। এ ব্যবস্থা রোববার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত চালু থাকবে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) থেকে এ রুটে আগের মতো বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ পরিচালনা করা হবে। এ ছাড়া যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ককে মনে আছে? ২০২৪ আইপিএলে ৩৩০ এরও বেশি রান করেছিলেন ২৩০ স্ট্রাইক রেটে, প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক আসরে ২০ বলেরও কম খেলে ৩টি ফিফটির রেকর্ড গড়েছিলেন যিনি, সেই ম্যাকগার্ক? সেই তিনি আবারও ইতিহাস গড়েছেন। এমন এক রেকর্ড গড়েছেন, যা অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দেখেনি আর কখনোই!অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ওয়ানডেতে নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙেছেন জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। অ্যাডিলেডের কারেন রোলটন ওভালে কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি মাত্র ১৪ বলে ফিফটি করেছেন। এরপর ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে সাউথ অস্ট্রেলিয়া বড় রান তোলে।ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ৬৩ বলে ১২২ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৯টি ছক্কা। লিস্ট এ ক্রিকেটে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ইনিংসের শুরুতেই ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ঝড় তোলেন। দ্বিতীয় ওভারে টম স্ট্রেকারের বলে তিনি ২২ রান নেন। চতুর্থ ওভারে টম হুইটনির বলে নেন ১৬ রান। ষষ্ঠ ওভারে হেইডেন কারকে একটি ছক্কা ও একটি চার মারেন। এতে ১৪ বলে তার ফিফটি হয়ে যায়।সঙ্গে সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ানদের মধ্যে লিস্ট-এ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড নিজের করে নেন ম্যাকগার্ক। আগের রেকর্ডটাও অবশ্য তারই ছিল। ২০২৩ সালে তিনি ফিফটি করেছিলেন ১৮ বলে। এবার ৪ বল কম খেলেছেন ফিফটির মাইলফলক ছুঁতে।তবে বিশ্ব রেকর্ডটা তিনি গড়তে পারেননি। সেটি বৈভব সূর্যবংশীর দখলে আছে। গেল জুনে শ্রীলঙ্কা এ দলের বিপক্ষে ১১ বলে ফিফটি করে এই রেকর্ড গড়েন ১৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার।ম্যাকগার্ক সেই বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে না পারলেও আশা জাগিয়েছিলেন দ্রুততম সেঞ্চুরির। ফিফটির পরের আট বলে তিনি চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন। ২২ বল শেষে তার রান গিয়ে দাঁড়ায় ৭৫-এ। ২৯ বলে সেঞ্চুরি হাতের নাগালেই ছিল। ৬ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ২৫ রান!কিন্তু কুইন্সল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল সোয়েপসন সেই আশায় পানি ঢেলে দেন। চার টেস্ট খেলা এই স্পিনার নবম ওভারে ফ্রেজার-ম্যাকগার্ককে পাঁচ বল করেন। এতে রান আসে মাত্র একটি।সে ওভারে তার একটি শট মিসহিট হয়ে গিয়ে পড়ে মিড অনের একটু সামনে। তারপর একবার এলবিডব্লিউ হতে হতেও রক্ষা পান অল্পের জন্য। এরপরই খোলসে ঢুকে যান তিনি। ম্যাকেঞ্জি হার্ভির সঙ্গে তার উদ্বোধনী জুটিতে ১১.৩ ওভারে ১২৯ রান ওঠে। হার্ভি ৩৫ বলে ৪৬ রান করে আউট হন। ১৪তম ওভারে হুইটনিকে পরপর দুটি ছক্কা মেরে ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক ৯০-এর ঘরে পৌঁছান। এরপর একটি একটি করে সিঙ্গেল নিয়ে ৪৯তম বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।জ্যাক ক্লেটনের বলেও তিনি দুটি চার ও একটি ছক্কা মারেন। ক্লেটন বাঁহাতি অর্থডক্স স্পিনার এবং খণ্ডকালীন বোলার। শেষে কারের বাঁহাতি সিম বোলিংয়ে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ১২২ রানে এলবিডব্লিউ হন।যে মাঠে এই ইনিংসটা খেললেন, সেই কারেন রোলটন ওভালের সঙ্গে ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের সম্পর্ক গভীর। অস্ট্রেলিয়ার অন্য সব মাঠে যেখানে ৩২টি লিস্ট এ ইনিংসে তার গড় মাত্র ২০.৫৫, আর স্ট্রাইক রেট ১১২, সেখানে এই মাঠে ছয় ইনিংসে তার দুটি সেঞ্চুরি ও একটি ৮৮ রানের ইনিংস আছে। গড় ৬৮.৬৬, স্ট্রাইক রেট ২০৪.৯৭। অস্ট্রেলিয়ান রেকর্ডটা ভেঙে দিতেও সেই মাঠটাকেই বেছে নিলেন জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক!
শোবিজ অঙ্গনে একের পর এক তারকার দাম্পত্য টানাপড়েন ও বিচ্ছেদ সংবাদের মাঝে এবার আলোচনায় এসেছে ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের নাম। স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপড়েন এবং আলাদা থাকার গুঞ্জন নিয়ে বিনোদনপাড়ায় তুমুল চর্চা চলছে। সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই তারকা জুটির বিচ্ছেদ এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার বলে বাতাসে খবর ভাসছে।সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সাবিলা নূরের দাম্পত্য কলহের পেছনে রয়েছে শোবিজপাড়ারই একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি (ডিওপি) আবদুল মামুনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সূচনা। ‘রকস্টার’ সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় কাজের সূত্রে দুজনের পরিচয় ঘটে, যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সম্পর্কে রূপ নেয়। কাজের সেটে তাদের এই ঘনিষ্ঠতা পুরো টিমের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ ছিল বলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিট সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এমনকি এতে কাজের ব্যাঘাত ঘটায় প্রযোজনা পক্ষ তাকে পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করার স্বার্থেই বিষয়টি চেপে রাখা হয়।এদিকে অভিনেত্রীর এই নতুন সম্পর্কের প্রভাব কেবল তার নিজের সংসারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর ফলে তিশা নামের এক তরুণীর দীর্ঘ সাত বছরের ভালোবাসার সম্পর্ক ও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া বিয়ে ভেঙে গেছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে। সহকারী পরিচালক থেকে প্রযোজনা জগতে আসা তিশা জানান, ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পরপরই মে মাসের ১৫ তারিখে ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে তার সামাজিক বিয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত ছিল।গণমাধ্যমে ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিশা অভিযোগ করেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে বিয়ের মাত্র ১০ দিন আগে মামুন হঠাৎ করেই তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও তার মন ঘোরানো সম্ভব হয়নি।তিশার ভাষ্য, ‘সাবিলা নূর আমাদের দীর্ঘ প্রেমের সম্পর্কের কথা পুরোপুরি জানতেন। একজন নারী হয়েও তিনি আরেকজন নারীর ক্ষতির কথা ভাবেননি। মামুন একজন বড় তারকাকে পেয়ে আমার সাত বছরের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের কোনো মূল্য দিল না।’ তিশা আরও জানান, মামুনের ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করেই তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে পূর্বনির্ধারিত বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল। পরিবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও মামুনের প্রতি আবেগ থেকে তিনি তাতে সম্মতি দেননি।উল্লেখ্য, সাবিলা নূরের দাম্পত্য দূরত্বের খবর প্রকাশ্যে আসার শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহশিল্পী শাকিব খানের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে কিছু জল্পনাকল্পনা ছড়ানো হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, শাকিব খানের বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও নিছক গুঞ্জন ছিল। পুরো পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে মূলত সংশ্লিষ্ট ডিওপির সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কই প্রধান কারণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।চলমান এই বিতর্ক, দাম্পত্য কলহ এবং নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে গণমাধ্যম থেকে চলচ্চিত্রটির পরিচালক আজমান রুশোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য এড়িয়ে যান এবং পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে জানান।অন্যদিকে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মুখেও অভিনেত্রী সাবিলা নূর কিংবা তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা স্পষ্টীকরণ আসেনি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংক, শেয়ারবাজার এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে ও নিয়মিত লেনদেন চলবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়েছে।সার্কুলারে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের আলোকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর বুধবার ও ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি থাকবে। এই ছুটির কারণে সারা দেশে ব্যাংকগুলোর সাধারণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে স্বাভাবিক নিয়মে সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু রাখার আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। দুর্গাপূজার ছুটির দিনগুলোতে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু রাখতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৯ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে এ মাস গণনা শুরু হবে। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) এ এইচ এম কামরুজ্জামান।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেমের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীসহ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভাজাপোড়া খাবার অনেকেরই প্রিয়। কিন্তু নিয়মিত এসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস ওজন বাড়াতে পারে, শরীরেও ফেলতে পারে বিরূপ প্রভাব। বাড়তি ওজন কমাতে তাই শুধু খাবারের পরিমাণ নয়, বদলাতে হবে খাদ্যাভ্যাসও। পুষ্টিবিদদের মতে, পছন্দের সব খাবার একেবারে বাদ না দিয়েও পরিমিত খাওয়া, পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া এবং কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে ওজন কমানোর চেষ্টা করা যায়।পছন্দের খাবার পুরোপুরি বাদ না দিয়েও কয়েকটি কৌশল অবলম্বন করে ওজন কমানো সম্ভব বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ান ও ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক আলিসা প্যালাডিনো। কৌশলগুলো হলো-১. পুষ্টিকর খাবার বেছে নিনপ্রোটিন, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এ জন্য বাদাম, ভাজা ছোলা, পনির, ডাল দিয়ে তৈরি চিপস এবং গ্রিক দই খেতে পারেন। পাশাপাশি গাজর, শসা, ক্যাপসিকাম, আঙুর ও স্ট্রবেরির মতো ফলমূল ও সবজি রাখুন খাবারের তালিকায়।সবজি বা চিপসের সঙ্গে অ্যাভোকাডো দিয়ে তৈরি গুয়াকামোলে কিংবা ছোলা দিয়ে তৈরি হুমাস খাওয়া যেতে পারে। এসব খাবার থেকে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।২. কম ক্যালরিতে বেশি পরিমাণে খেতে পারেনদীর্ঘ সময় ধরে খেলা দেখা কিংবা আড্ডার সময় বারবার খেতে ইচ্ছা করলে কাটা ফল, কাঁচা সবজি ও পপকর্ন বেছে নিতে পারেন। তিন কাপ তেল ছাড়া গরম বাতাসে তৈরি পপকর্নে অল্প একমুঠো চিপসের সমপরিমাণ ক্যালরি থাকতে পারে। ভুট্টার আঁশও দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে প্যাকেটজাত পপকর্ন কেনার সময় অতিরিক্ত চিনি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া ভালো।৩. পছন্দের খাবার খান পরিমিত পরিমাণেওজন কমাতে পিৎজা, চিপস কিংবা চিকেন উইংস পুরোপুরি বাদ দিতে হবে না। বরং পছন্দের এক বা দুটি খাবার বেছে নিয়ে পরিমিত পরিমাণে খান। আপনার যদি পিৎজা পছন্দ হয় তাহলে এক বা দুই টুকরা খেতে পারেন। সঙ্গে ফলমূল বা সবজি রাখুন। চিপস খাওয়ার সময় প্যাকেট থেকে সরাসরি না খেয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ একটি প্লেটে তুলে নিন।প্যালাডিনোর মতে, পছন্দের খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার চেয়ে পরিমিত খাওয়া ও খাবারে ভারসাম্য বজায় রাখা ভালো। কোনো খাবার একেবারে নিষিদ্ধ করলে সেটি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে যেতে পারে।৪. খাওয়ার আগে পরিকল্পনা করুনখাবার সামনে থাকলে অনেক সময় ক্ষুধা না লাগলেও খাওয়া হয়ে যায়। এ অভ্যাস এড়াতে খেলা দেখা বা আড্ডায় যোগ দেওয়ার আগে সুষম খাবার খেয়ে নিতে পারেন। পাশাপাশি ফলমূল বা সবজি দিয়ে তৈরি খাবার সঙ্গে নেওয়া এবং আগে থেকেই ঠিক করে রাখা যায়, কোন খাবার কতটুকু খাবেন।খাওয়ার সময় নিজের ক্ষুধার দিকেও খেয়াল রাখুন। কিছুক্ষণ আগে খাওয়ার পরও শুধু মুখরোচক খাবার খেতে ইচ্ছা করলে সেটি প্রকৃত ক্ষুধার বদলে পরিবেশ বা পরিস্থিতির কারণে তৈরি হতে পারে। এমন ইচ্ছা স্বাভাবিক হলেও সচেতনভাবে খাবার বেছে নেওয়া জরুরি।৫. সহজ পাঁচটি স্ন্যাকসতিনি ওজন কমাতে পছন্দের পাঁচটি স্ন্যাকসের কথাও বলেছেন।আপেল ও দইয়ের মিশ্রণ: টক বা মিষ্টি দইয়ের সঙ্গে সামান্য পিনাট বাটার (চিনাবাদামের মাখন) মিশিয়ে আপেলের টুকরার সঙ্গে খেতে পারেন। এতে আপেল থেকে আঁশ এবং দই ও পিনাট বাটার থেকে প্রোটিন ও চর্বি পাওয়া যায়।টমেটো ও পনিরের নাশতা: টমেটোর টুকরার সঙ্গে মোজারেলা পনির ছোট কাঠিতে গেঁথে পরিবেশন করা যায়। টমেটোর সঙ্গে পনিরের এই মিশ্রণ সহজেই তৈরি করা সম্ভব।শসা বা গাজরের সঙ্গে অ্যাভোকাডার ভর্তা: অ্যাভোকাডা চটকে সামান্য মসলা দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন। এরপর শসা, গাজর কিংবা ক্যাপসিকামের টুকরার সঙ্গে খেতে পারেন।শসার সঙ্গে পালংশাকের মিশ্রণ: পালংশাক ও আর্টিচোক দিয়ে তৈরি ডিপের সঙ্গে শসার টুকরা খাওয়া যায়। এটি মূলত সবজি দিয়ে তৈরি এক ধরনের ঘন মিশ্রণ, যাতে শসা ডুবিয়ে খাওয়া হয়।রসুন ও পনির মেশানো পপকর্ন: ঘরে তৈরি পপকর্নের সঙ্গে সামান্য রসুনের গুঁড়া ও পারমেজান পনির মিশিয়ে নিতে পারেন। অতিরিক্ত মাখন ও লবণ ব্যবহার না করাই ভালো।ওজন কমাতে চাইলেপছন্দের খাবার বাদ দেওয়ার পরিবর্তে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া এবং ক্ষুধা বুঝে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ছোট ছোট পরিবর্তনই খাবারের প্রতি অতিরিক্ত বিধিনিষেধ ছাড়াই ওজন কমানোর লক্ষ্য ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। (সূত্র: হেলথলাইন)
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
স্মার্টফোনে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ করার সময় হঠাৎ ফুল-স্ক্রিন বিজ্ঞাপন ভেসে ওঠা কিংবা কোনো অ্যাপ চালু না করলেও অচেনা ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন পণ্যের প্রচার দেখা দেওয়া বেশ বিরক্তিকর। অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের অনেকেই এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন। এতে স্বাভাবিকভাবে ফোন ব্যবহার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।সাধারণত সন্দেহজনক অ্যাপ, ব্রাউজারের নোটিফিকেশন অনুমতি কিংবা অ্যাডওয়্যারের কারণে ফোনে অনাকাঙ্ক্ষিত বিজ্ঞাপন দেখা দিতে পারে। তবে ফোনে বিজ্ঞাপন আসা মানেই সেটি ভাইরাসে আক্রান্ত, এমনটা ভাবার কারণ নেই। বিজ্ঞাপনের উৎস চিহ্নিত করতে পারলে কয়েকটি সহজ পদক্ষেপেই সমস্যাটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।জেনে নেওয়া যাক ফোনে অযাচিত বিজ্ঞাপন কমানোর পাঁচটি উপায়।সন্দেহজনক অ্যাপ মুছে ফেলুননতুন কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার পর থেকে বিজ্ঞাপনের পরিমাণ বেড়ে গেলে অ্যাপটি সন্দেহের তালিকায় রাখুন। বিশেষ করে অপরিচিত ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা অ্যাপ, ক্লিনার, লঞ্চার কিংবা বিনা মূল্যের বিভিন্ন টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।ফোনের সেটিংস থেকে ইনস্টল করা অ্যাপগুলোর তালিকা খুলুন। সম্প্রতি যুক্ত হওয়া অ্যাপগুলোর মধ্যে অস্বাভাবিক বা অপ্রয়োজনীয় কিছু চোখে পড়লে সেটি আনইনস্টল করুন। এরপর ফোনটি রিস্টার্ট করে দেখুন বিজ্ঞাপন আসার সমস্যা কমেছে কি না।বিজ্ঞাপন পাঠানো অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করুনসব বিজ্ঞাপন সরাসরি স্ক্রিনে পপ-আপ হিসেবে আসে না। অনেক অ্যাপ নোটিফিকেশনের মাধ্যমেও বিভিন্ন অফার ও প্রচারণামূলক বার্তা পাঠায়। কোনো ওয়েবসাইটকে ব্রাউজারে নোটিফিকেশন পাঠানোর অনুমতি দিলেও একই ধরনের সমস্যা হতে পারে।এ ধরনের বার্তা এলে নোটিফিকেশনটির ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরুন। এতে সাধারণত কোন অ্যাপ থেকে সেটি এসেছে, তা জানা যায়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী ওই অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দিন। ব্রাউজারের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন এলে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের নোটিফিকেশন অনুমতিও বাতিল করুন।হোম স্ক্রিনে বিজ্ঞাপন এলে লঞ্চার যাচাই করুনফোনের হোম স্ক্রিনে বারবার বিজ্ঞাপন দেখা গেলে থার্ড-পার্টি লঞ্চার বা সম্প্রতি ইনস্টল করা অন্য কোনো অ্যাপ এর কারণ হতে পারে। কিছু অ্যাপ হোম স্ক্রিনে কিংবা অন্যান্য অ্যাপ ব্যবহারের সময় বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।সমস্যার উৎস হিসেবে কোনো অ্যাপকে সন্দেহ হলে সেটি সরিয়ে ফোনের নিজস্ব ডিফল্ট লঞ্চার ব্যবহার করে দেখুন। পাশাপাশি, কোন কোন অ্যাপ অন্য অ্যাপের ওপর ভেসে থাকার অনুমতি পেয়েছে, তা পরীক্ষা করুন। সন্দেহজনক অ্যাপের এমন অনুমতি থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী বন্ধ করে দিন। ফোনের মডেল ও অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণভেদে সেটিংসের নাম কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।ব্রাউজারের পপ-আপ ও ওয়েবসাইটের অনুমতি নিয়ন্ত্রণ করুনইন্টারনেট ব্যবহারের সময় নিজে থেকে নতুন ট্যাব খুলে যাওয়া, অচেনা ওয়েবসাইটে চলে যাওয়া কিংবা বারবার বিজ্ঞাপন আসার ঘটনা ঘটলে ব্রাউজারের সেটিংস পরীক্ষা করা প্রয়োজন।গুগল ক্রোমের মতো ব্রাউজারে পপ-আপ ও রিডাইরেক্ট বন্ধ রাখুন। পাশাপাশি, কোন কোন ওয়েবসাইটকে নোটিফিকেশন পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন, সেই তালিকা পর্যালোচনা করুন। অপরিচিত বা সন্দেহজনক ওয়েবসাইটের অনুমতি বাতিল করে দিন।প্রয়োজনে ব্রাউজারের ক্যাশ ও অন্যান্য ব্রাউজিং ডেটা মুছে ফেলতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, এতে কিছু ওয়েবসাইট থেকে লগআউট হয়ে যেতে পারেন এবং নির্দিষ্ট কিছু সংরক্ষিত সেটিংস হারিয়ে যেতে পারে।গুগল প্লে প্রটেক্ট দিয়ে ক্ষতিকর অ্যাপ পরীক্ষা করুনফোনে ক্ষতিকর অ্যাপ থাকার আশঙ্কা হলে গুগল প্লে স্টোরের প্লে প্রটেক্ট ব্যবহার করে স্ক্যান চালাতে পারেন। এই সুবিধাটি ফোনের অ্যাপ পরীক্ষা করে সম্ভাব্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার শনাক্ত করতে সহায়তা করে।এ ছাড়া ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপগুলো নিয়মিত আপডেট রাখুন। অপরিচিত ওয়েবসাইট থেকে এপিকে (APK) ফাইল ডাউনলোড করা এড়িয়ে চলুন। কোনো অ্যাপ তার কাজের সঙ্গে সম্পর্কহীন অতিরিক্ত অনুমতি চাইলে সেটি দেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই করে নিন।বিজ্ঞাপন এড়াতে আরও যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেনফোনে বিজ্ঞাপন দেখা গেলেই ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক বিনা মূল্যের অ্যাপ তাদের আয়ের জন্য স্বাভাবিকভাবেই বিজ্ঞাপন দেখায়। তবে কোনো অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ঘন ঘন ফুল-স্ক্রিন বিজ্ঞাপন আসা, ফোন নিজে থেকে অচেনা ওয়েবসাইট খুলে ফেলা কিংবা অস্বাভাবিক আচরণ করার বিষয়গুলো অবহেলা করা উচিত নয়।এ ধরনের বিজ্ঞাপনে দেখানো পুরস্কার, লটারি বা ফোনে ভাইরাস থাকার ভুয়া সতর্কবার্তার ফাঁদে পা দেবেন না। অপরিচিত লিংকে প্রবেশ করে পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং তথ্য কিংবা ওটিপি (OTP) দেওয়াও বিপজ্জনক হতে পারে।তাই প্রথমে বিজ্ঞাপনের উৎস শনাক্ত করুন। এরপর সন্দেহজনক অ্যাপ মুছে ফেলা, অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করা এবং ব্রাউজারের অনুমতি নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ নিন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব ব্যবস্থা অনাকাঙ্ক্ষিত বিজ্ঞাপনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে।