ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ ইঙ্গিত দেন।তিনি বলেন, ইরানে আবারও ‘ছোট আকারের’ সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে। একই সঙ্গে ইরান থেকে ফিরে কিউবা ইস্যুতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে এসব তথ্য জানা গেছে।ফ্লোরিডার জনসভায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা হয়তো আরেকটি ছোট এপিক ফিউরি পরিচালনা করব।’ ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।এদিকে ইরান থেকে ফিরে কিউবা নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘ইরান থেকে ফিরে আসার পর আমরা কিউবার বিষয়টি দেখব। এরপর আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য পাঠাব।’ট্রাম্পের এই বক্তব্যে ইরান ইস্যুর পাশাপাশি কিউবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে কিউবার সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়বস্তু বা এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।অন্যদিকে, ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে এবার আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে। তেহরানের এই হুঁশিয়ারি দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।সূত্র: রয়টার্স//L//
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামের ১৪১ টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৩ জন।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে শুক্রবার ২৩ অক্টোবর রাত পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬৬ টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৫ টি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল।সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭ টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯ টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৯ টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯ টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব যাত্রীদের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রানজিট নিয়ে রিয়াদ ও দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল। তবে স্ব স্ব দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করেনি তারা।এর আগে সাম্প্রতি হুথিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হামলা হয় দাম্মামেও। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামে ফ্লাইট বন্ধ রাখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদের ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামের ১৪১ টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৩৩ জন।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর থেকে শুক্রবার ২৩ অক্টোবর রাত পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬৬ টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৭৫ টি ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল।সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭ টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯ টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে।অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২৯ টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯ টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব যাত্রীদের বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রানজিট নিয়ে রিয়াদ ও দাম্মাম যাওয়ার কথা ছিল। তবে স্ব স্ব দেশ থেকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করেনি তারা।এর আগে সাম্প্রতি হুথিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হামলা হয় দাম্মামেও। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামে ফ্লাইট বন্ধ রাখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদের ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
লিওনেল মেসি শুক্রবার স্পেনের সবচেয়ে সম্মানজনক ক্রীড়া পুরস্কার ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর স্পোর্টস’ গ্রহণ করেছেন। উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের বয়স এখন ৩৯ বছর। জুন মাসে তাকে এই পুরস্কারের জন্য বেছে নেওয়া হয়। বিচারকমণ্ডলী তখন তাকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার’ বলে প্রশংসা করে। তার সামাজিক কাজেরও প্রশংসা করা হয়।অনুষ্ঠানটি হয়েছে স্পেনের উত্তরের আস্তুরিয়াস অঞ্চলের রাজধানী ওভিয়েদোতে। মেসি যখন পৌঁছান, তখন বাজছিল ব্যাগপাইপ আর ঢোল। আর্জেন্টিনার জার্সি পরা কয়েক ডজন সমর্থক তাকে দেখে উল্লাস করেন। তারা বারবার মেসির নাম ধরে স্লোগান দেন।পুরস্কারটি তুলে দেন রাজকন্যা লিওনর। স্পেনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী তিনি। তার নামেই এই পুরস্কার। মেসির হাতে তিনি একটি পার্চমেন্ট স্ক্রল তুলে দেন।মেসির ‘অনন্য ক্যারিয়ারের’ প্রশংসা করে লিওনর বলেন, ‘তিনি অসাধারণকে প্রতিদিনের ঘটনা বানিয়ে ফেলেছেন। খেলাটাকে পড়ে এবং সেকেন্ডের ভগ্নাংশে সবচেয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি এটা করেছেন। আর সব সময় নিজের অহংকারের ওপরে রেখেছেন দলীয় চেতনাকে।’মেসি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তিনি আটবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। জিতেছেন একটি বিশ্বকাপ। ক্লাব পর্যায়েও তার ট্রফি কয়েক ডজন। বার্সেলোনায় তিনি কাটিয়েছেন ২১ বছর। জিতেছেন ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগও।২০২১ সালে বার্সা ছেড়ে তিনি যান ফ্রান্সের প্যারিস সেইন্ট জার্মেইঁতে। সেখানে ছিলেন দুই বছর। এখন খেলছেন এমএলএসের ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে।আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল, সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট ও সবচেয়ে বেশি ম্যাচ তারই। এ মাসের শুরুতে তিনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করেন। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলে তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন।প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার শুরু হয় ১৯৮১ সালে। স্প্যানিশ ভাষাভাষী বিশ্বে এটিই সবচেয়ে মর্যাদাবান পুরস্কার। একে অনেক সময় স্প্যানিশ নোবেল পুরস্কার হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়। এই পুরষ্কারের সঙ্গে থাকে ৫০ হাজার ইউরোর (প্রায় ৭০ লাখ টাকা) পুরস্কার অর্থ। শিল্প, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া, তিন ক্ষেত্রেই প্রতিবছর এটি দেওয়া হয়। মানুষের সহাবস্থান, সংহতি ও বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টাকে সম্মান জানানোই এর উদ্দেশ্য।শুক্রবার আরও কয়েকজন পুরস্কার নিয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন ব্রিটিশ লেখক জুলিয়ান বার্নস, যুক্তরাষ্ট্রের পথিকৃৎ নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ ও পাঙ্ক তারকা প্যাটি স্মিথ।ক্রীড়া বিভাগে আগে পুরস্কার পেয়েছেন টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস ও রাফায়েল নাদাল। পেয়েছেন ম্যারাথনের রেকর্ডধারী এলিউদ কিপচোগে ও যুক্তরাষ্ট্রের স্কিয়ার লিন্ডসে ভন।
রাজধানীর মগবাজার এলাকায় দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এই অতর্কিত হামলা চালায়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ঘটনার সময় আসিফ আকবর নিজে গাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না, যার ফলে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, ভোরে গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে কারা, কী উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে এবং হামলার পর তারা কোন দিকে পালিয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।এই হামলার পেছনে আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা, পেশাগত বিরোধ নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, আসিফ আকবর সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রীড়া জগতেও দারুণ জনপ্রিয় এবং ক্রিকেটের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
জরুরি নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এটি শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের সমস্যা নয়, বিশ্বব্যাপী সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। ঝুঁকি বিশ্লেষণ শেষে এটি চালু করা হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ চলছে। ঝুঁকি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা তৈরি হয়েছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করার সুযোগ পেতে পারে। এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি পিএইচপিভিত্তিক আরও কিছু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।পিএইচপি একটি বহুল ব্যবহৃত সার্ভারভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা। বিশ্বের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন সেবা পরিচালনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। তবে কোনো ওয়েবসাইটে পিএইচপি ব্যবহার করা হলেই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে না। ব্যবহৃত সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্ভারের সুরক্ষাব্যবস্থার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে।সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে ব্যবহৃত পিএইচপির সংস্করণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ করা জরুরি। তাৎক্ষণিকভাবে ত্রুটি সংশোধন সম্ভব না হলে ফায়ারওয়াল ব্যবহার, অননুমোদিত সংযোগ সীমিত করা এবং প্রয়োজনে সার্ভার সাময়িকভাবে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তথ্য ও অনলাইন সেবা ব্যবহারে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। তবে ওয়েবসাইটটি কখন পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানা যায়নি।
১ দিন আগে
দুনিয়ার সব মালিকের কাছে তার শ্রমিকরা একটু বেশি মজুরি চাইলে, সুবিধা চাইলে তারা নাখোশ হন। কেউ কেউ ক্ষিপ্ত হন। অনেকে আবার অবিচারও করেন। কিন্তু মহান আল্লাহর মালিকের প্যাটার্ন ভিন্ন। তার শ্রেষ্ঠত্বের পাল্লা অতুলনীয়। তার কাছে তার গোলামরা যত বেশি চায়, তিনি তত বেশি দেন। খুশি হন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, বান্দা তুই যত বেশি চাইবি, আমি তত বেশি খুশি হই। রহমতের দ্বার খুলে দিই। আমি পরম করুণাময়।কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মুমিন: ৬০)আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে (সুরা বাকারা: ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।দোয়া কবুলের নির্ধারিত কোনো মুহূর্ত নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা, ইশা থেকে ফজর- বান্দা যখনই আল্লাহর দরবারে হাত পাতে, তিনি সাড়া দেন। তবে, কিছু বিশেষ মুহূর্তে আল্লাহ বান্দার মোনাজাত বিশেষভাবে কবুল করেন। রহমতের পেয়ালা ঢেলে দেন। বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, এই বিশেষ মুহূর্তগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো ভোররাত।২৪ ঘণ্টার ভেতরে দোয়া কবুলের যতগুলো সোনালি সময় আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান সময় হলো ভোররাত। অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময়। রাতের শেষের দিকের এই সময়টা মুমিনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এই সময়ের দোয়া সাধারণত আল্লাহ তায়ালা ফিরিয়ে দেন না।
গ্রিন টি-কে স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসাবে বিবেচনা করা হয় কারণ এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে এবং এতে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তবে দুপুরের বা রাতের খাবারের ঠিক পরেই এটি পান করলে, খাবার থেকে আয়রন শোষণের ক্ষমতাকে প্রভাবিত হতে পারে। যদিও এর মানে এই নয় যে গ্রিন টি অস্বাস্থ্যকর, তবে এটি পানের সময়টি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে যারা আয়রনের ঘাটতির ঝুঁকিতে আছেন তাদের জন্য।গ্রিন টি-তে এমন কিছু যৌগ রয়েছে যা নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে পাওয়া আয়রনের সঙ্গে আবদ্ধ হতে পারে এবং এর শোষণ কমিয়ে দিতে পারে। এটি কীভাবে ঘটে তা বুঝতে পারলে আয়রন গ্রহণের পরিমাণে কোনো আপোস না করেই গ্রিন টি উপভোগ করা সহজ হবে।গ্রিন টি কীভাবে আয়রন শোষণকে প্রভাবিত করে?গ্রিন টি-তে ট্যানিনসহ পলিফেনল থাকে, যা পরিপাকতন্ত্রে আয়রনের সাথে আবদ্ধ হতে পারে। নিক্যাল কেস রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, এই মিথস্ক্রিয়ার ফলে খাবার থেকে শরীরের পক্ষে আয়রন শোষণ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।এই প্রভাবটি প্রধানত নন-হিম আয়রন-এর ক্ষেত্রে দেখা যায়, যা মসুর ডাল, শিম, সবুজ শাক-সবজি, বিভিন্ন বীজের মতো উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবারে পাওয়া যায়। নন-হিম আয়রন সাধারণত হিম আয়রনের তুলনায় শরীরে কম সহজে শোষিত হয়, যা মাংস এবং সামুদ্রিক খাবারে পাওয়া যায়।যখন খাবারের সাথে বা ঠিক পরেই গ্রিন টি পান করা হয়, তখন এর পলিফেনল সেই খাবার থেকে শোষিত নন-হিম আয়রনের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। এই প্রভাবের মাত্রা নির্ভর করে পান করা চায়ের পরিমাণ, খাবারের উপাদান এবং একজন ব্যক্তির বর্তমান আয়রনের অবস্থার মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপর।এর মানে এই নয় যে গ্রিন টি সমস্ত আয়রন শোষণকে বাধা দেয়। বরং এটি এর সঙ্গে খাওয়া খাবারে উপস্থিত কিছু আয়রনের শোষণ কমাতে পারে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
বিশ্বের সিংহভাগ ওয়েবসাইট পরিচালনায় ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ পিএইচপিতে (PHP) দুটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত করা হয়েছে। এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলাকারীরা কোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই সরাসরি সার্ভারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে—এমন সতর্কবার্তার পর বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি সংস্থা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পোর্টাল সাময়িকভাবে অফলাইনে রেখেছে।সাইবার ঝুঁকি কমাতে পিএইচপি ডেভেলপাররা জরুরি ভিত্তিতে একটি নিরাপত্তা প্যাচ বা আপডেট প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে তা ইনস্টল করার তাগিদ দিয়েছেন। আধুনিক ওয়েব কাঠামোর বহু প্ল্যাটফর্ম পিএইচপিনির্ভর হওয়ায় বৈশ্বিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস, শীর্ষ সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ডিজিটাল সেবাগুলোও এই দুর্বলতার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।ক্লাউড নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘উইজ’-এর হিসাব অনুযায়ী, ইন্টারনেটের প্রায় ৭০ শতাংশ ওয়েবসাইটে পিএইচপি ব্যবহৃত হয়। প্রতিষ্ঠানটি এই ত্রুটিকে পিএইচপির ইতিহাসে শনাক্ত হওয়া অন্যতম ভয়াবহ দুর্বলতা হিসেবে বর্ণনা করেছে।পিএইচপি ফাউন্ডেশনের নিরাপত্তা প্রকৌশলী ভলকার ডুশ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি পিএইচপির সবচেয়ে বিপজ্জনক নিরাপত্তা সংকট। পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ২০১৪ সালের আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘হার্টব্লিড’ ত্রুটির উদাহরণ টেনে বলেন, সেই সময়ের মতোই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দ্রুত সফটওয়্যার হালনাগাদ করার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) এক্সে দেওয়া এক নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে সফটওয়্যার আপডেট করার আহ্বান জানিয়েছে। অবিলম্বে সিস্টেম হালনাগাদ করা সম্ভব না হলে ক্ষতিগ্রস্ত সার্ভারের ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখার পরামর্শ দিয়ে সংস্থাটি জানায়, এই ত্রুটি কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা ডেটাবেজ ও মূল ফাইলে অবাধ প্রবেশাধিকার পেয়ে যেতে পারে।এই ত্রুটি প্রথম চিহ্নিত হয় গত আগস্টে। সাইবার প্রতিষ্ঠান ‘ক্যালিফ’ ওপেনএআইয়ের অর্থায়নে পিএইচপির সোর্স কোড পরীক্ষা করার সময় ‘জিপিটি-৫.৬ সল’ মডেল ব্যবহার করে প্রথম এই দুর্বলতা শনাক্ত করে। পরবর্তী সময়ে গুগলের মালিকানাধীন ‘উইজ’ নিজস্ব গবেষণায় গুগলের ‘জেমিনি ৪ আর্গন’ ও ‘জিপিটি-৫.৬ সল’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের সহায়তায় একই ত্রুটি আলাদাভাবে শনাক্ত করে।ওপেনএআই এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, আধুনিক এআই যে পুরো ইন্টারনেটের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ত্রুটিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম, এ ঘটনা তারই বড় প্রমাণ।পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের জাতীয় সাইবার সংস্থার পরামর্শে প্যারিস পুলিশসহ বিভিন্ন স্থানীয় প্রশাসনিক ওয়েবসাইটের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। নেদারল্যান্ডসের জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনওএসের তথ্য অনুযায়ী, ডাচ সরকারের জাতীয় পরিচয় যাচাই সেবা ‘ডিজিডি’, পার্লামেন্ট ও জাতীয় সাইবার সেন্টারের ওয়েবসাইট সতর্কতা হিসেবে অফলাইনে রাখা হয়েছে।একই ধরনের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়ে নিজেদের অফিশিয়াল পোর্টাল সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে বেলজিয়ামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি জানিয়েছে, পিএইচপির এই ত্রুটির প্রভাবে দেশটির সাইবার নিরাপত্তা নজরদারি সংস্থা ‘অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেট’-এর অফিশিয়াল পোর্টালও (cyber.gov.au) আক্রান্ত হওয়া সাইটগুলোর তালিকায় রয়েছে।