গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকো।বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য জেবিআইসি-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন বিধিবিধান সংস্কার ও সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জেবিআইসি-এর অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সময় বাংলাদেশে জেবিআইসি-এর একটি কার্যালয় খোলার অনুরোধ জানানো হয়। জেবিআইসি-এর গভর্নর প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন বলে জানান।সাক্ষাতে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রমুখ।
ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। ভোট গণনায় নেতানিয়াহুর দল লিকুদ এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। ফলে দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনভর ইসরায়েলে ভোটগ্রহণ চলে। স্থানীয় সময় রাত ১০টায় (জিএমটি ২০:০০) ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পরপরই ভোট গণনা শুরু হয়।ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি ভোট গণনা করা হয়েছে, যা মোট ভোটের ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ। গণনা করা বৈধ ভোটের মধ্যে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২০ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি, তাদের ভোট ১৭ দশমিক ০৬ শতাংশ।তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন টুগেদার জোট। তারা পেয়েছে ৯ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। ভোট গণনা এখনো শেষ হয়নি। ফলে এ ফল পরিবর্তন হতে পারে।নির্বাচনের পর সম্ভাব্য আসনসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বুথফেরত জরিপেও ভিন্নতা দেখা গেছে। কান ও চ্যানেল ১৩-এর জরিপে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট এবং বিরোধী শিবির—উভয়েই ৫১টি করে আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, কোনো জোটের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় এমন দলগুলো পেতে পারে ১৮টি আসন।এন১২-এর জরিপে নেতানিয়াহুর জোটের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা ৫২, বিরোধী শিবিরের ৪৯ এবং অন্য দলগুলোর ১৯টি। ইসরায়েলের পার্লামেন্টে মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ফলে জরিপ অনুযায়ী, কোনো শিবিরই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি।বিশ্লেষকদের মতে, এ নির্বাচন ইসরায়েলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, বিচার বিভাগের ভূমিকা এবং নিরাপত্তানীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। চ্যাথাম হাউসের সহযোগী গবেষক জুলি নরম্যানের মতে, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশটির রাজনীতিতে নতুন দিকনির্দেশনা আসার সুযোগ রয়েছে।তবে নির্বাচনী প্রচারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বড় গুরুত্ব পায়নি। নরম্যানের মতে, নির্বাচনের ফল ফিলিস্তিনের ভবিষ্যতের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।চূড়ান্ত ভোট গণনা এবং সরকার গঠনের আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকবেন, নাকি সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বে বিরোধী শিবির সরকার গঠনের সুযোগ পাবে—তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।সূত্র: আল জাজিরা নিউজ ১, নিউজ ২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর আমাকাওয়া কাজুহিকো।বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য জেবিআইসি-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন বিধিবিধান সংস্কার ও সহজীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জেবিআইসি-এর অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সময় বাংলাদেশে জেবিআইসি-এর একটি কার্যালয় খোলার অনুরোধ জানানো হয়। জেবিআইসি-এর গভর্নর প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন বলে জানান।সাক্ষাতে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রমুখ।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের। এমন ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ। একাদশেও বড় চমক দিয়েছে টাইগাররা।আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসন শান্ত।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই ম্যাচে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চমক একাদশে। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম নেই একাদশে৷ তার পরিবর্তে জায়গা পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। এর বাইরে একাদশে আর কোনো পরিবর্তন নেই।বাংলাদেশের একাদশনাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম।
বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’র মুক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সরকারি ছাড়পত্র মেলার খবর মিললেও এখনো সিবিএফসির পক্ষ থেকে প্রদর্শনীর তারিখ মেলেনি। ফলে আগামী ১৩ নভেম্বর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আনা যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের ভারত ও চীন সংঘঘাতের পটভূমিতে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। শুরুতে এর নাম ছিল ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’। চলতি বছরের শুরুতে তা বদলে রাখা হয় ‘মাতৃভূমি’। চীন সংক্রান্ত বিষয়বস্তু এবং সংলাপের কারণে সিনেমাটিকে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়। এর পেছনে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।সম্প্রতি সিনেমাটি সরকারি ছাড়পত্র পাওয়ার খবর সামনে আসে। কিন্তু প্রায় এক মাস হতে চললেও সেন্সর সনদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রদর্শনীর তারিখ পাননি নির্মাতারা।বলিউড হাঙ্গামার একটি বাণিজ্যিক সূত্র জানায়, অক্টোবরের শুরুতে সেন্সর সনদের আবেদন করেন নির্মাতারা। গত ২৬ অক্টোবর সোমবার সিনেমাটি প্রদর্শনের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। সেন্সর প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সালমান নিজে কয়েকবার দিল্লি গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।সূত্রটির ভাষ্য, কোনো বিশেষ সুবিধা চাননি সালমান। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সনদের সব নিয়ম পালন করেছেন তিনি। আগামী মাসেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আনতে চান বলেই সেন্সর কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিচ্ছেন।১৩ নভেম্বর মুক্তির বিষয়ে সালমানের আগের পরিকল্পনা এখনো অপরিবর্তিত আছে কি না, জানতে চাওয়া হলে সূত্রটি জানিয়েছে, সময়মতো সেন্সর সনদ পেলে ওই দিনই সিনেমাটি মুক্তি পাবে।এই তারিখ বেছে নেওয়ার কারণও পরিষ্কার করেছে সূত্রটি। একই সময়ে বড় সিনেমা মুক্তি পেলে একে অন্যের ব্যবসায় প্রভাব ফেলতে পারে, যা চান না সালমান। ওই নির্দিষ্ট দিনে অন্য কোনো সিনেমা মুক্তির পরিকল্পনা নেই। তাই দিনটিকে উপযুক্ত মনে করছেন তিনি।এদিকে ২৭ নভেম্বর রাজশ্রী প্রোডাকশনসের ‘ইয়ে প্রেম মল লিয়া’ এবং ইমরান হাশমি অভিনীত ‘গানমাস্টার জি৯’ মুক্তির কথা রয়েছে। এই দুই ছবির দুই সপ্তাহ আগে নিজের ছবি এনে বক্স অফিসে তিনটির জন্যই ভালো ব্যবসার সুযোগ রাখতে চান সালমান। এই কারণে ২০ নভেম্বর মুক্তির সম্ভাবনা বাতিল করা হয়েছে।‘ইয়ে প্রেম মল লিয়া’ পরিচালনা করছেন সুরজ বরজাতিয়া। পরিচালকের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ওই ছবির সঙ্গে নিজের ছবি মুক্তি দিতে নারাজ অভিনেতা।এছাড়া ৪ ডিসেম্বর মুক্তির তারিখও ভাবা হয়েছিল। কিন্তু ‘মাতৃভূমি’র পরিবেশক জিও স্টুডিওস একই দিনে শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত ‘ঈথা’ মুক্তির পরিকল্পনা করছে। একই দিনে দুটি ছবি মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হলে সালমানও তা মেনে নেন।সব মিলিয়ে ১৩ নভেম্বরকেই সবচেয়ে উপযুক্ত দিন হিসেবে দেখছেন নির্মাতারা। তবে শেষ পর্যন্ত ওই দিনে সিনেমাটি মুক্তি পাবে কি না, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র হাতে পাওয়ার ওপর।সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম সর্বোচ্চ বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সোনার নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৬৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩৯১ টাকা।
৬ ঘন্টা আগে
বিপদ-আপদ কখন আসবে, তা কেউ জানে না। কখনও কোনো ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে কিংবা অপ্রত্যাশিত বিপদের ভয় হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুমিনের শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (স.) বিপদের আশংকায় বিশেষ দোয়া পড়তেন। এ ছাড়া সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার জন্যও দোয়া পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন।১. কারও অনিষ্টের আশংকা হলে পড়বেন اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাঊযু বিকা মিন শুরুরিহিম।অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা তাদের মোকাবিলায় তোমাকেই সামনে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ক্ষতির আশংকা করলে রাসুলুল্লাহ (স.) এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭)২. সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার দোয়াبِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُউচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামায়ি, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের সঙ্গে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধায় যে বান্দা তিনবার এ দোয়া পাঠ করবে কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (জামে তিরমিজি: ৩৩৮৮)৩. আল্লাহর ওপর ভরসা প্রকাশের দোয়াحَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُউচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।সুরা আলে ইমরানের ১৭৩ নম্বর আয়াতে এই বাক্য উল্লেখ রয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপের সময় তিনি এই বাক্য বলেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সময়েও শত্রুর বড় বাহিনীর হুমকির মুখে সাহাবিরা তা বলেছিলেন। (সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩)দোয়ার পাশাপাশি সতর্কতাও জরুরিবিপদের আশংকা হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারও কাছ থেকে ক্ষতির আশংকা থাকলে নিরাপদ স্থানে যাওয়া, বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে জানানো এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া জরুরি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে যথাসাধ্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।তথ্যসূত্র: সুরা আলে ইমরান: ১৭৩; সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩; সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭, ৫০৮৮; জামে আত-তিরমিজি: ৩৩৮৮
বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় মিষ্টি খাবারগুলোর মধ্যে চকলেট অন্যতম। শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক- অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই খাবার। চকলেটের প্রতি মানুষের ভালোবাসাকে উদযাপন করতে প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর পালন করা হয় জাতীয় চকলেট দিবস (ন্যাশনাল চকোলেট ডে)।চকলেটের নানা ধরন ও স্বাদ থাকলেও এই দিনটি সব ধরনের চকোলেটের জন্যই উৎসর্গ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কনফেকশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দিবসটি পরিচিতি পেয়েছে।চকলেট তৈরি হয় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ক্যাকাও গাছের বীজ থেকে। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে এ গাছের উৎপত্তি ও চাষের ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০ সাল থেকেই ক্যাকাও বীজের চাষের প্রমাণ পাওয়া যায়।ক্যাকাও বীজ থেকে চকলেট তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে বীজ গাঁজন করা হয়, যাতে এর স্বাদ ও সুগন্ধ তৈরি হয়। এরপর বীজ শুকিয়ে পরিষ্কার করে ভাজা হয়। খোসা ছাড়ানোর পর পাওয়া যায় ক্যাকাও নিবস, যা গুঁড়া করে তৈরি করা হয় চকলেটের মূল উপাদান। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি, দুধ ও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন ধরনের চকলেট।চকলেটের পাঁচটি জনপ্রিয় ধরন১. আনসুইটেনড বেকিং চকলেট: এতে মূলত ক্যাকাও সলিডস ও ক্যাকাও বাটার থাকে। সাধারণত বেকিং ও রান্নায় ব্যবহার করা হয়।২. সুইট চকলেট: ক্যাকাও সলিডস, ক্যাকাও বাটার বা অন্য চর্বি এবং চিনি দিয়ে তৈরি হয় এই চকলেট।৩. মিল্ক চকলেট: এতে চকলেটের মূল উপাদানের সঙ্গে গুঁড়া দুধ বা ঘন দুধ মেশানো হয়। স্বাদে এটি সাধারণত মিষ্টি ও মসৃণ।৪. হোয়াইট চকলেট: ক্যাকাও বাটার, চিনি ও দুধ দিয়ে তৈরি হলেও এতে ক্যাকাও সলিডস থাকে না।৫. রুবি চকলেট: বিশেষ ধরনের ক্যাকাও বীজ থেকে তৈরি গোলাপি আভাযুক্ত এই চকলেটের স্বাদে মিষ্টির পাশাপাশি ফলের মতো সুগন্ধ ও হালকা টকভাব রয়েছে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক কর্মীবাহিনীর বড় একটি অংশ এই প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারে। গত সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য পরিচালন ব্যয় কমানো এবং এআই প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা। বর্তমানে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআই উন্নয়নে ডাটা সেন্টার, উন্নত চিপ ও কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মাইক্রোসফটের বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার এই প্রস্তাব পেতে পারেন। তাদের মধ্যে এআই এক্সপেরিয়েন্সেস, কোপাইলট, অর্থ, মানবসম্পদ, এক্সবক্স এবং উইন্ডোজ প্লাস ডিভাইসেস বিভাগের কর্মীরাও রয়েছেন। তবে বিপণন, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও নিরাপত্তা বিভাগের কর্মীরা এই কর্মসূচির আওতায় থাকবেন না।মাইক্রোসফটের চিফ পিপল অফিসার অ্যামি কোলম্যান কর্মীদের পাঠানো এক বার্তায় বলেন, যারা প্রতিষ্ঠানটির বাইরে নতুন কিছু করার কথা ভাবছেন, তাদের কর্মজীবনের পরবর্তী ধাপে যেতে এই প্রস্তাব সহায়তা করবে। একই সঙ্গে পরিবর্তিত ব্যবসায়িক চাহিদার সঙ্গে কর্মীসংখ্যা সমন্বয়ের সুযোগ পাবে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগ।মাইক্রোসফটের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার। সেই হিসাবে ৬০ হাজার কর্মীকে এই প্রস্তাব দেওয়া হলে তা কর্মীবাহিনীর একটি বড় অংশকে প্রভাবিত করতে পারে।এদিকে, এআই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মাইক্রোসফট চলতি বছরের জন্য মূলধনি ব্যয় বাবদ ১৭৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিপুল এই বিনিয়োগের বিপরীতে পর্যাপ্ত আর্থিক মুনাফা আসবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।চলতি বছরেও কর্মীসংখ্যা পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত প্রায় ৯ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। জুলাইয়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণাও দেয় মাইক্রোসফট। এর অংশ হিসেবে এক্সবক্স গেমিং ব্যবসা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।আজ বুধবার বাজার লেনদেন শেষ হওয়ার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এর আগে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের নজরে এসেছে