সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকির আশঙ্কায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পর আবার চালু হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ওয়েবসাইটটি সচল হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়। পিএইচপি নামের একটি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি থেকে হামলার আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।সে সময় আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার দুর্বলতা শনাক্ত করা এবং তা সমাধানে কাজ চলছিল। ঝুঁকি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর ওয়েবসাইটটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা জারি হয়েছিল। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা চালাতে পারেন। এতে সার্ভারের নথি, তথ্যভান্ডার ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি পিএইচপিভিত্তিক আরও কিছু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।তবে নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন চাইলে আজ রোববারই ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলা চালাতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো ‘কাজটি শেষ করতে হবে’ অথবা তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হতে পারে।গতকাল শনিবার ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর, পাম বিচ কাউন্টি সুপারভাইজার অব ইলেকশনস কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি।ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে চিন্তাভাবনা কতটা এগোচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এ নিয়ে ভাবছি এবং হতে পারে কালকেই (রোববার) তা হতে যাচ্ছে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি হামলা করব কিনা, তা কি আসলেই আপনাদের আগে থেকে বলে দেব?’ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আসার মাধ্যমে ইরান এখনো সামরিক পদক্ষেপ এড়াতে পারে। তিনি বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু মূল সমস্যা হলো তারা কি সেই চুক্তিতে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে?’ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেটিই তার একমাত্র উদ্দেশ্য বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে যে অভিযান চালানো হয়েছিল, তা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য যথেষ্ট ছিল না দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমাকে সিদ্ধান্তটি স্থায়ী করতে হবে। আর একমাত্র সে কারণেই আমি পদক্ষেপ নিচ্ছি।’এ সময় কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের তুলনায় বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহণ ও জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে।পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে যাচ্ছে—সে বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে সামরিক অভিযান ও আলোচনা—উভয় পথই খোলা রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাকে হয়তো বিষয়টি শেষ করতে হবে, অথবা তারা হয়তো একটি চুক্তি করবে। তবে আমি এখনো নিশ্চিত নই। যে পথেই যাক না কেন, জয় আমাদেরই হবে।’এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন। আমেরিকানদের ‘ভীতু’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তারা ‘সবকিছু এলেমেলো করে দিয়েছে’। তবে এর মধ্যেও তেহরানের উচিত চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া—এমন মতই দিয়েছেন তিনি।গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে একটি যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আলোচনা হলেও সংকটের স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো তৈরি হয়নি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে রোববার (২৫ অক্টোবর) খুলছে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস। এদিন থেকে ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রম যথারীতি চলবে।দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ছিল। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে ছিল সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়া হয়।এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি পান সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। শনিবার ছুটির শেষ দিন ছিল। রোববার থেকে আবারও স্বাভাবিক নিয়মে অফিস-আদালতের কার্যক্রম চলবে।
লিওনেল মেসি শুক্রবার স্পেনের সবচেয়ে সম্মানজনক ক্রীড়া পুরস্কার ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফর স্পোর্টস’ গ্রহণ করেছেন। উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের বয়স এখন ৩৯ বছর। জুন মাসে তাকে এই পুরস্কারের জন্য বেছে নেওয়া হয়। বিচারকমণ্ডলী তখন তাকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার’ বলে প্রশংসা করে। তার সামাজিক কাজেরও প্রশংসা করা হয়।অনুষ্ঠানটি হয়েছে স্পেনের উত্তরের আস্তুরিয়াস অঞ্চলের রাজধানী ওভিয়েদোতে। মেসি যখন পৌঁছান, তখন বাজছিল ব্যাগপাইপ আর ঢোল। আর্জেন্টিনার জার্সি পরা কয়েক ডজন সমর্থক তাকে দেখে উল্লাস করেন। তারা বারবার মেসির নাম ধরে স্লোগান দেন।পুরস্কারটি তুলে দেন রাজকন্যা লিওনর। স্পেনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী তিনি। তার নামেই এই পুরস্কার। মেসির হাতে তিনি একটি পার্চমেন্ট স্ক্রল তুলে দেন।মেসির ‘অনন্য ক্যারিয়ারের’ প্রশংসা করে লিওনর বলেন, ‘তিনি অসাধারণকে প্রতিদিনের ঘটনা বানিয়ে ফেলেছেন। খেলাটাকে পড়ে এবং সেকেন্ডের ভগ্নাংশে সবচেয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি এটা করেছেন। আর সব সময় নিজের অহংকারের ওপরে রেখেছেন দলীয় চেতনাকে।’মেসি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তিনি আটবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। জিতেছেন একটি বিশ্বকাপ। ক্লাব পর্যায়েও তার ট্রফি কয়েক ডজন। বার্সেলোনায় তিনি কাটিয়েছেন ২১ বছর। জিতেছেন ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগও।২০২১ সালে বার্সা ছেড়ে তিনি যান ফ্রান্সের প্যারিস সেইন্ট জার্মেইঁতে। সেখানে ছিলেন দুই বছর। এখন খেলছেন এমএলএসের ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে।আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল, সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট ও সবচেয়ে বেশি ম্যাচ তারই। এ মাসের শুরুতে তিনি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করেন। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলে তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন।প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার শুরু হয় ১৯৮১ সালে। স্প্যানিশ ভাষাভাষী বিশ্বে এটিই সবচেয়ে মর্যাদাবান পুরস্কার। একে অনেক সময় স্প্যানিশ নোবেল পুরস্কার হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়। এই পুরষ্কারের সঙ্গে থাকে ৫০ হাজার ইউরোর (প্রায় ৭০ লাখ টাকা) পুরস্কার অর্থ। শিল্প, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া, তিন ক্ষেত্রেই প্রতিবছর এটি দেওয়া হয়। মানুষের সহাবস্থান, সংহতি ও বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টাকে সম্মান জানানোই এর উদ্দেশ্য।শুক্রবার আরও কয়েকজন পুরস্কার নিয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন ব্রিটিশ লেখক জুলিয়ান বার্নস, যুক্তরাষ্ট্রের পথিকৃৎ নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচ ও পাঙ্ক তারকা প্যাটি স্মিথ।ক্রীড়া বিভাগে আগে পুরস্কার পেয়েছেন টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস ও রাফায়েল নাদাল। পেয়েছেন ম্যারাথনের রেকর্ডধারী এলিউদ কিপচোগে ও যুক্তরাষ্ট্রের স্কিয়ার লিন্ডসে ভন।
দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে বিজয়ের ফলোয়িং তালিকায় কারও নাম না থাকায় তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। কেউ কেউ বিচ্ছেদের গুঞ্জনও তুলেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করার হিসাব থেকে তাদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কোনো প্রমাণ নেই।সম্প্রতি বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি কোনো অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করেন না। সেই তালিকায় স্ত্রী রাশমিকাও নেই। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে অনুসরণ করছেন। ফলে দুজন পরস্পরকে আনফলো করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবির সঙ্গে প্রোফাইলের তথ্যের মিল নেই।এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী দাবি করেন, বিজয় ও রাশমিকা একে অন্যকে আনফলো করেছেন। তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে আরেক ব্যবহারকারীর বক্তব্য, তারা কখনোই পরস্পরকে অনুসরণ করতেন না। অন্য একজন সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে আনফলো করলেই যে সম্পর্কে সমস্যা রয়েছে, তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিজয়ের ফলোয়িং তালিকায় কারও নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়ালেও, এটি তাদের দাম্পত্যে টানাপোড়েনের প্রমাণ নয়।ইনস্টাগ্রাম নিয়ে এই আলোচনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে ‘কফি উইথ করণ ৯’ অনুষ্ঠানে বিজয় ও রাশমিকার উপস্থিতির প্রসঙ্গ। সেখানে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশমিকা জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে রাশমিকা বলেন, তিনি বিজয়কে বলতেন, চলো, বিয়ে করি।রাশমিকার এই বক্তব্যের পর বিজয় রসিকতা করে বলেন, এ কথা প্রকাশ্যে আসায় তাকে নিয়ে ট্রল করা হবে। পরে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। তাদের সম্পর্ক কীভাবে বিয়ের দিকে এগিয়েছে, তা নিয়ে কেউ কেউ বিজয়কে সমালোচনাও করেন।এখন পর্যন্ত বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্কের অবনতি কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। তাদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিজয় কাউকেই অনুসরণ করেন না, অন্যদিকে রাশমিকা এখনো তাকে অনুসরণ করছেন। তাই শুধু ইনস্টাগ্রামের ফলোয়িং তালিকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মন্তব্যের ভিত্তিতে তাদের দাম্পত্যে সমস্যা বা বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।সূত্র: এবিপি লাইভ
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকির আশঙ্কায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পর আবার চালু হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ওয়েবসাইটটি সচল হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়। পিএইচপি নামের একটি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি থেকে হামলার আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।সে সময় আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার দুর্বলতা শনাক্ত করা এবং তা সমাধানে কাজ চলছিল। ঝুঁকি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর ওয়েবসাইটটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা জারি হয়েছিল। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা চালাতে পারেন। এতে সার্ভারের নথি, তথ্যভান্ডার ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি পিএইচপিভিত্তিক আরও কিছু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।তবে নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
২ ঘন্টা আগে
দুনিয়ার সব মালিকের কাছে তার শ্রমিকরা একটু বেশি মজুরি চাইলে, সুবিধা চাইলে তারা নাখোশ হন। কেউ কেউ ক্ষিপ্ত হন। অনেকে আবার অবিচারও করেন। কিন্তু মহান আল্লাহর মালিকের প্যাটার্ন ভিন্ন। তার শ্রেষ্ঠত্বের পাল্লা অতুলনীয়। তার কাছে তার গোলামরা যত বেশি চায়, তিনি তত বেশি দেন। খুশি হন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, বান্দা তুই যত বেশি চাইবি, আমি তত বেশি খুশি হই। রহমতের দ্বার খুলে দিই। আমি পরম করুণাময়।কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মুমিন: ৬০)আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে (সুরা বাকারা: ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।দোয়া কবুলের নির্ধারিত কোনো মুহূর্ত নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা, ইশা থেকে ফজর- বান্দা যখনই আল্লাহর দরবারে হাত পাতে, তিনি সাড়া দেন। তবে, কিছু বিশেষ মুহূর্তে আল্লাহ বান্দার মোনাজাত বিশেষভাবে কবুল করেন। রহমতের পেয়ালা ঢেলে দেন। বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, এই বিশেষ মুহূর্তগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো ভোররাত।২৪ ঘণ্টার ভেতরে দোয়া কবুলের যতগুলো সোনালি সময় আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান সময় হলো ভোররাত। অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময়। রাতের শেষের দিকের এই সময়টা মুমিনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এই সময়ের দোয়া সাধারণত আল্লাহ তায়ালা ফিরিয়ে দেন না।
কালের নাশতায় পরোটা খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। বিশেষ করে আলুর পুরে তৈরি মুচমুচে কিংবা নরম পরোটা হলে তো কথাই নেই। তবে পরোটা তৈরিতে বেশি তেল ব্যবহারের কারণে অনেকেই তা খেতে চান না। চাইলে তেল ছাড়াও তৈরি করতে পারেন নরম ও ফুলকো আলুর পরোটা। অল্প ঘি বা মাখন ব্যবহার করে পানির ভাপে তৈরি এই পরোটা স্বাদে যেমন ভালো, তেমনি রান্নার পদ্ধতিও বেশ সহজ। চলুন, জেনে নেওয়া যাক ঘরেই আলুর পরোটা তৈরির সহজ রেসিপি।উপকরণময়দা ৩ কাপআলু ৩–৪টিটক দই পরিমাণমতোলবণ স্বাদমতোসামান্য চিনিসাদা তেল অল্পগোটা জিরা ও গোটা ধনেআমচুর পাউডারকাঁচা মরিচ কুচিধনেপাতা কুচিগরম মসলা গুঁড়াকালো ও সাদা তিলসামান্য ঘি বা মাখনপ্রস্তুত প্রণালি১. প্রথমে ডো তৈরি করুনডো বানাতে প্রথমে ৩ কাপ ময়দা, পরিমাণমতো লবণ, টক দই দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর সামান্য চিনি ও অল্প সাদা তেল দিয়ে ময়দা মেখে নরম ডো তৈরি করুন। ডো একদম নরম রাখবেন। এবার ডোর গায়ে সামান্য তেল মাখিয়ে ঢেকে প্রায় দুই ঘণ্টা রেখে দিন।২. আলুর পুর তৈরি করুনপ্রথমে আলু সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে চটকে নিন। এরপর গোটা জিরা ও গোটা ধনে হালকা ভেজে গুঁড়া করে নিতে পারেন। এবার চটকানো আলুর সঙ্গে ভাজা মসলা, কাঁচা মরিচ কুচি, গরম মসলা গুঁড়া, আমচুর পাউডার, ধনেপাতা কুচি ও স্বাদমতো লবণ মিশিয়ে নিন। সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে সুস্বাদু পুর তৈরি করুন।৩. বেলুন দিয়ে পরোটা তৈরি করুনএবার ময়দার ডো থেকে সমান আকারের কয়েকটি লেচি কেটে নিন। প্রতিটি লেচির মাঝখানে আলুর পুর দিয়ে চারপাশ থেকে মুখ বন্ধ করে দিন। এরপর সাবধানে বেলে পরোটার আকার দিন, যাতে পুর বাইরে বেরিয়ে না আসে। চাইলে পরোটার গায়ে কালো ও সাদা তিল ছড়িয়ে দিতে পারেন।৪. ঘি বা বাটারের ব্যবহারএবার ফ্রাইয়িং প্যানে পানি দিয়ে তাতে পরোটা দিয়ে সামান্য ঘি বা বাটার ব্রাশ করে ঢাকা দিয়ে দিন। পানির ভাপে পরোটা ফুলে উঠবে। পানি শুকালে এক পিঠ উল্টে এতে বাটার বা ঘি ব্রাশ করে নিন। এরপর অপর পিঠও তাই করে নিন।৫. গরম গরম পরিবেশন করুনদুই পাশ ভালোভাবে সেঁকা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন নরম ও ফুলকো আলুর পরোটা। এবার পছন্দমতো টক দই কিংবা আচারের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন সকালের নাশতায়। ঘরোয়া উপকরণে তৈরি এই পরোটা পরিবারের সবার নাশতায় যোগ করতে পারে ভিন্ন স্বাদ।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে এখন কয়েকটি নির্দেশনা লিখেই তৈরি করা যাচ্ছে নানা ধরনের ছবি। কখনো তৈরি হচ্ছে বিজ্ঞাপনের জন্য পণ্যের নকশা, কখনো বইয়ের প্রচ্ছদ, কার্টুন, দেয়ালসজ্জার ছবি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারচিত্র। এসব ছবি শুধু শখের কাজেই নয়, আয় করার মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব।এআই দিয়ে ছবি তৈরি করতে পেশাদার চিত্রশিল্পী হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে ভালো ফল পেতে প্রয়োজন সঠিক নির্দেশনা লেখার দক্ষতা, নকশা সম্পর্কে ধারণা, ছবির মান যাচাই এবং ক্রেতার চাহিদা বোঝার ক্ষমতা। শুধু ছবি তৈরি করলেই আয় নিশ্চিত হয় না; ছবিটি কার প্রয়োজন, কোথায় বিক্রি করা যাবে এবং কীভাবে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যাবে, সেগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।যেভাবে আয় করা সম্ভব১. প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপনের ছবি তৈরিছোট-বড় প্রতিষ্ঠান নিয়মিত পণ্য ও সেবার প্রচারে ছবি ব্যবহার করে। এআই দিয়ে পণ্যের প্রচারচিত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, ব্যানার, প্রচারপত্র ও বিজ্ঞাপনের নকশা তৈরি করে আয় করা যায়। বাংলাদেশের অনলাইন ব্যবসা, পোশাকের দোকান, রেস্তোরাঁ, প্রসাধনীর প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সেবাদানকারী ব্যবসার জন্য এ ধরনের কাজের সুযোগ খোঁজা যেতে পারে। তবে বাস্তব পণ্যের ছবি ব্যবহার করা হলে তার সঙ্গে তৈরি করা এআই-ছবির সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে হবে।২. গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী ছবি তৈরিঅনলাইনে কাজের বাজারে বিভিন্ন গ্রাহক বইয়ের প্রচ্ছদ, চরিত্রের নকশা, ধারণাভিত্তিক ছবি, উপস্থাপনার চিত্র কিংবা প্রচারণার জন্য বিশেষ ছবি খোঁজেন। গ্রাহকের নির্দেশনা অনুযায়ী এআই দিয়ে ছবি তৈরি করে প্রয়োজনমতো সম্পাদনা ও চূড়ান্ত নকশা সরবরাহ করা যায়। এ ধরনের কাজের জন্য ফাইভার, আপওয়ার্কের মতো স্বাধীন পেশাজীবীদের কাজের বাজার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কাজ পাওয়ার জন্য নমুনা নকশার সংগ্রহ, নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ প্রয়োজন।৩. ছবি বিক্রির ওয়েবসাইটে জমা দেওয়াকিছু ওয়েবসাইটে ছবি জমা দিয়ে অনুমোদনের পর সেগুলো ব্যবহারের লাইসেন্স বিক্রি করা যায়। ক্রেতা ছবি ব্যবহার করলে নির্মাতা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ পেতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে, অ্যাডোবি স্টক এআই দিয়ে তৈরি ছবি গ্রহণ করে। তবে ছবিতে এআই ব্যবহারের বিষয়টি নির্ধারিত নিয়মে জানাতে হয় এবং মান, স্বত্ব ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। অন্যদিকে, শাটারস্টক সাধারণ অবদানকারীদের কাছ থেকে এআই দিয়ে তৈরি ছবি গ্রহণ করে না। ফলে ছবি জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের নীতিমালা যাচাই করা জরুরি।৪. ডিজিটাল পণ্য তৈরি করে বিক্রিএআই দিয়ে তৈরি ছবি ব্যবহার করে দেয়ালসজ্জার নকশা, ক্যালেন্ডার, আমন্ত্রণপত্র, শুভেচ্ছাকার্ড, শিশুদের রঙ করার বই কিংবা অন্যান্য ডিজিটাল পণ্য তৈরি করা যায়। এসব পণ্য অনলাইন বিপণন ব্যবস্থা বা নিজস্ব বিক্রয়মাধ্যমে বিক্রি করা সম্ভব। তবে শুধু একই ধরনের ছবি তৈরি করে জমা দিলে বিক্রি নাও হতে পারে। নির্দিষ্ট ক্রেতা গোষ্ঠী নির্বাচন, নকশার মান, পণ্যের বিবরণ, দাম এবং প্রচারণার ওপর বিক্রির সম্ভাবনা নির্ভর করে। বিক্রির মাধ্যমের নিয়ম অনুযায়ী এআই ব্যবহারের তথ্যও জানাতে হতে পারে।৫. টি-শার্ট, মগ ও পোস্টারের নকশাএআই দিয়ে তৈরি মৌলিক নকশা ব্যবহার করে টি-শার্ট, মগ, পোস্টার ও অন্যান্য পণ্যের নকশা তৈরি করা যায়। কিছু মুদ্রণ ও সরবরাহ সেবা ক্রেতার অর্ডার পাওয়ার পর পণ্য তৈরি করে পাঠায়। এতে নিজে থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য মজুত করার প্রয়োজন কমতে পারে। তবে নকশায় অন্য প্রতিষ্ঠানের লোগো, অনুমতি ছাড়া ব্যবহৃত চরিত্র, বিখ্যাত ব্যক্তির ছবি কিংবা স্বত্ব সংরক্ষিত উপাদান থাকলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিক্রয়মাধ্যমের নিয়মও আগে যাচাই করতে হবে।শুরু করবেন যেভাবেএআই দিয়ে ছবি তৈরির কাজ শুরু করতে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করা যেতে পারে।প্রথম ধাপএকটি নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নিন। বিজ্ঞাপনের ছবি, বইয়ের প্রচ্ছদ, শিশুদের চিত্র, খাবারের ছবি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশার মতো একটি ক্ষেত্র দিয়ে শুরু করুন।দ্বিতীয় ধাপছবি তৈরির সরঞ্জাম শিখুন। নিজের প্রয়োজন ও বাজেট অনুযায়ী এআইভিত্তিক ছবি তৈরির সরঞ্জাম বেছে নিন। বিনা মূল্যের সুবিধা, দৈনিক ব্যবহারের সীমা এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের শর্ত যাচাই করুন।তৃতীয় ধাপনির্দেশনা লেখার দক্ষতা বাড়ান। ছবির বিষয়, পটভূমি, রং, আলোর ধরন, ছবির বিন্যাস ও কাঙ্ক্ষিত শৈলী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে শিখুন। একই নির্দেশনায় তৈরি একাধিক ছবির মধ্যে সেরা ছবিটি বেছে নিন।চতুর্থ ধাপছবি সম্পাদনা করুন। ছবির ভুল, অস্বাভাবিক হাত-পা, বিকৃত লেখা কিংবা অসংগত উপাদান পরীক্ষা করুন। প্রয়োজন হলে এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে সংশোধন করুন।পঞ্চম ধাপনমুনার সংগ্রহ তৈরি করুন। নিজের সেরা ১০ থেকে ১৫টি নকশা নিয়ে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন। এতে সম্ভাব্য গ্রাহক কাজের মান ও দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পাবেন।ষষ্ঠ ধাপক্রেতার কাছে পৌঁছান। অনলাইন কাজের বাজারে কাজের প্রস্তাব দিন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নমুনা প্রকাশ করুন কিংবা স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। শুরুতে নির্দিষ্ট সেবা ও কাজের পরিধি স্পষ্ট করে মূল্য নির্ধারণ করুন।আয় কত হতে পারে?এআই দিয়ে ছবি তৈরি করে মাসে কত টাকা আয় হবে, তার নির্দিষ্ট কোনো নিশ্চয়তা নেই। কেউ গ্রাহকের জন্য নকশা তৈরি করে পারিশ্রমিক পেতে পারেন, আবার কেউ ছবি বিক্রির ওয়েবসাইটে ছবি জমা দিয়েও দীর্ঘ সময় বিক্রি না-ও পেতে পারেন। আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে কাজের মান, গ্রাহকের চাহিদা, প্রতিযোগিতা, বিক্রির মাধ্যম, প্রচারণা এবং সরঞ্জাম ব্যবহারের খরচের ওপর। তাই শুরুতেই বড় অঙ্কের আয়ের প্রত্যাশা না করে ছোট কাজ দিয়ে দক্ষতা ও বাজারের চাহিদা যাচাই করা ভালো।কপিরাইট ও ব্যবহারের নিয়মে সতর্কতাএআই দিয়ে তৈরি সব ছবিই যে সব জায়গায় বিক্রি করা যাবে, তা নয়। ছবি তৈরির সরঞ্জামের বাণিজ্যিক ব্যবহারের শর্ত এবং যে ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রি করা হবে, তার নীতিমালা আলাদা হতে পারে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশে এআই দিয়ে তৈরি কাজের স্বত্ব নিয়ে আইনি অবস্থানও এক রকম নয়। অন্যের ছবি বা নকশা অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা, বিখ্যাত ব্যক্তির পরিচিতি কাজে লাগানো কিংবা প্রতিষ্ঠানের লোগো অনুকরণ করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যেসব ওয়েবসাইটে এআই ব্যবহারের ঘোষণা দিতে হয়, সেখানে সঠিক তথ্য দেওয়া উচিত।সব মিলিয়ে, এআই দিয়ে ছবি তৈরি করে আয় করার সুযোগ রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে শুধু ছবি তৈরির কৌশল জানলেই হবে না; প্রয়োজন সৃজনশীলতা, সম্পাদনার দক্ষতা, ক্রেতার চাহিদা বোঝা এবং নিয়ম মেনে কাজ করার অভ্যাস।ওয়েবসাইট: অ্যাডোবি স্টক, ফাইভার, আপওয়ার্ক, ক্যানভাতথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর নীতিমালা ও নির্দেশিকা