গাজীপুরে টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের চেষ্টায় বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর প্রায় ১টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।এর আগে সকাল পৌনে ১০টার দিকে লাগা এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ যোগ দেয়।জানা গেছে, কারখানার ইউনিট-২-এর চতুর্থ তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। এতে ওষুধ কারখানাটির ২টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য জানা যায়নি। সেই সাথে ক্ষতির পরিমাণের বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর তা আর ছড়াবে না বলে আশা করছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।
২ মিনিট আগে
সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কর্ম ও উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তাদের মধ্যে ছিলেন, বুয়েট থেকে পাস করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা বেছে নেওয়া নায়লা শারাফ, দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা মো. আলতাফ হোসেন এবং নিজ উদ্যোগে হাজার হাজার গাছ লাগানো রেজাউল কিবরিয়া বাবুল।প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এসব কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিরা।এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের জীবনসংগ্রাম, ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও সমাজের কল্যাণে পরিচালিত কার্যক্রমের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তারেক রহমান এসব ব্যক্তির কাজের প্রশংসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও আশ্বাস দেন ।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’হাসান শিপলু জানান, সাক্ষাৎকালে নায়লা শারাফের ব্যতিক্রমী পেশা নির্বাচনের বিষয়টি উঠে আসে।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়ালেখা শেষ করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। পরে জনতা ব্যাংকেও কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ না দিয়ে শিশুদের শিক্ষাদানের পথ বেছে নেন তিনি। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন নায়লা।বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদান সহজ করতে নিজেই তৈরি করেন শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা আরেক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হলেন নরসিংদীর মো. আলতাফ হোসেন। জন্ম থেকেই তার দুই হাত নেই। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। পা দিয়ে লেখা শিখে তিনি ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় প্রতিষ্ঠা করেন ‘প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল’।নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থ দিয়ে গড়ে তোলা বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। শিক্ষক রয়েছেন ১০ জন। পা দিয়েই তিনি লেখালেখি ও বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।প্রধানমন্ত্রী তার কথা শুনে নতুন স্কুলভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান উপ-প্রেস সচিব।অন্যদিকে, ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।ইমামতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন তিনি। পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলার পর উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ শুরু করেন। তার লাগানো অধিকাংশ গাছই এখন পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী সবার উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উৎসাহ দেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
৭ মিনিট আগে
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকার কারণে শনিবার থেকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ৮৯ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে আটকা পড়েছেন সাড়ে ১৪ হাজারের বেশি যাত্রী।বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বেবিচকের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সরাসরি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ৩৯টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের ১৭টি, ইউএস বাংলার ১০টি, সৌদিয়ার ৫টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে।এ ছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ৫০টি। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, সালাম এয়ারের ৪টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটস এয়ারের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৬টি ও ফ্লাই দুবাইয়ের ফ্লাইট রয়েছে ৬টি।কাওছার মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
৫৯ মিনিট আগে
রাজধানীর পুরান ঢাকায় জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় সাপ্তাহিক বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৩ অক্টোবর ঐতিহ্যবাহী লালবাগ কেল্লার বিপরীতে লালবাগ ওয়াটার গার্ডেন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কনভেনশন হলে সন্ধ্যা ৭টায় জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক কাজী আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. মামুন শাহরিয়ারের পরিচালনায়। প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হামিদুর রহমান হামিদ।উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কামাল চৌধুরী এবং দেশ- বিদেশ খ্যাত ল্যাপারোস্কপি সার্জন অধ্যাপক ডা. আনহারুর রহমান।আরও উপস্থিত ছিলেন (লাগবাগ) ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা তাসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা হাজী শফিউদ্দিন আহমেদ সেন্টু, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা সাঈদ হাসান মিন্টু, বাংলাদেশ মনিহারি বণিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মো. সাবের, ওল্ড ঢাকা ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি হাজী মো. রাশেদ হাসান এবং আলাউদ্দিন আগ্রো ফুড প্রোডাক্টের কর্ণধার হাজী মো. মারুফ আহমেদ আপেল, বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও বাংলাদেশ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এম হাফিজ।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সাংবাদিক এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্যগণ ও বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।বক্তারা বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ-এর সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উন্নতি আশা করেন। পরে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, সম্পাদক ও প্রধান সম্পাদকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের সম্পাদক ও প্রকাশকের মাতাকে শ্রেষ্ঠ মা ও পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
১ ঘন্টা আগে