পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের সব শিক্ষকদের নিয়ে ‘কোডিং, ডিকোডিং অফ এক্সাম স্ক্রিপ্টস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারী-২ এ কর্মশালার আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল অব কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)।এই পদ্ধতির মাধ্যমে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের সময় শিক্ষার্থীর কোন তথ্য খাতায় চিহ্নিত করার সুযোগ থাকে না। ফলে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকের পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকে না। পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, খাতা দেখার পদ্ধতি নিখুঁত হয়, ফলে খাতা দেখার সময় কমে যায়। স্বল্প সময়ে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়। কোডিং পদ্ধতির ব্যবহারিক ধারণা ও প্রযুক্তিগত দিক নির্দেশনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।সকালে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, পরীক্ষার খাতা দেখার সঙ্গে একজন শিক্ষার্থী এবং তাঁর পরিবারের পরিশ্রম, স্বপ্ন, ভবিষ্যত জড়িত থাকে। তাই পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা দেখাতে হবে। একজন শিক্ষকের ভুলে একজন শিক্ষার্থীর সারাজীবন ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তাই দায়িত্ব নিয়ে খাতা দেখতে হবে। শিক্ষকতা চাকরী হিসেবে না দেখে দায়িত্ব হিসেবে দেখতে হবে। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রযুক্তির সর্বশেষ পদ্ধতি তথা খাতা দেখার পদ্ধতিতে আমরা কোডিং চালু করছি। এর মাধ্যমে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়।উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কোডিং, ডিকোডিং চালু করার মাধ্যমে পরীক্ষার খাতা দেখা নিখুঁত হবে, দ্রুত সময়ে ফল প্রকাশ করা যাবে। অনেক জটিলতা দুর হবে। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যে কারিকুলামে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন শুরু হবে তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। দ্রুত সময়ে খাতা জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে ফল প্রকাশ করতে হবে।কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান কোডিং পদ্ধতিতে খাতা দেখার পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কথা জানান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. শামীম রেজা। রিসোর্স পার্সন হিসেবে কর্মশালা পরিচালনা করেন আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম।
১০ ঘন্টা আগে
চলতি মাসের ২৫ থেকে ২৯ তারিখের মধ্যে যেকোনো দিন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আজ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে মন্ত্রণালয়ের সম্মতি পাওয়ার পর।এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই, শেষ হয় ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া যায়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। সারা দেশে তাদের জন্য ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল।সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল। এ বোর্ডের ৩ লাখ ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়। রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোর বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়।এছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেট বোর্ডে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল।মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
১৯ ঘন্টা আগে
নোয়াখালীর সেনবাগে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে—নোবিপ্রবিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার দুপুরে সেনবাগ উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে সেনবাগ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন ফারুক। প্রধান আলোচক ছিলেন নোবিপ্রবির অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ।অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইরফানুল হক চৌধুরীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাওয়া সেনবাগের শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট দিয়ে সবর্ধনা দেওয়া হয়। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় মনোযোগী হয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
৩ দিন আগে
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস ((এমআইইটি) ২০২৬’ শীর্ষক ৩য় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ) নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী আয়োজিত আন্তর্জাতিক এ কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে আমাদের সামনে যেমন বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তেমনি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি হচ্ছে। তাই শুধু প্রচলিত শিল্পের ওপর নির্ভর না করে আমাদের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সেমিকন্ডাক্টরসহ উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কাজ করার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন এসেছে। এসব উদ্ভাবনকে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে বাস্তবমুখী পণ্যে রূপান্তর এবং বাজারজাত করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।তিনি আরও বলেন, আমাদের স্থানীয় সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে প্রযুক্তির মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান বের করতে হবে। এক্ষেত্রে ফান্ডিং অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো উদ্যোগের অভাব। আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারলে বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ পাওয়া সম্ভব। এ সময় ইনোভেশন ফেয়ারে উপস্থাপিত গবেষণাপত্র ও উদ্ভাবনগুলোর সারসংক্ষেপ করে কীভাবে সেগুলো বাজারে নিয়ে আসা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জনান তিনি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা এমন এক সময়ে বসবাস করছি, যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, সাইবার নিরাপত্তা ও রোবোটিকসসহ উদীয়মান প্রযুক্তি মানুষের জীবন ও সমাজব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনছে। তাই গবেষণাকে শুধু গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সবার জন্য সহজলভ্য। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভবিষ্যৎ গবেষক, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। উপাচার্য আরও বলেন, এবারের সম্মেলনে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা অংশগ্রহণ করছেন এবং গৃহীত গবেষণাপত্রের ২৪ শতাংশে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যা সম্মেলনের আন্তর্জাতিক পরিসর ও গবেষণা সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। বক্তব্যে গবেষকদের জন্য এ সম্মেলনটিকে একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম উল্লেখ করে দেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে এগিয়ে নিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান ও কনফারেন্সের অর্গানাইজিং চেয়ার মো. ইফতেখারুল আলম ইফাতসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, আমন্ত্রিত অতিথি ও সাংবাদিকবৃন্দ।কনফারেন্সে কী-নোট স্পিকার ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস এন্ড ম্যানেজমেন্ট ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক ড. লতিফুর খান, যুক্তরাষ্ট্রের পারডু ইউনিভার্সিটির এলমোর স্কুল অব ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর অধ্যাপক মুহাম্মদ এম. হুসেইন, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির নিউট্রিশনাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক শেখ মো. শরিফুল ইসলাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মূরস প্রফেসর ঝু হান। এতে ইনভাইটেড স্পিকার হিসেবে ছিলেন আহসান উল্ল্যাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামিম আখত্রা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরগন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ম্যাথমেটিক্স এন্ড কম্পিউটার সায়েন্স ডিভিশনের পোস্ট ডক্টরাল অ্যাপয়েন্টি ড. আহমেদুর রহমান শোভন।উল্লেখ্য, এবার কনফারেন্সে মোট ৩৩৫ টি পেপারের মধ্যে ৫৪ টি পেপার চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছে। মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ইন্টারনেট অফ থিংস, ক্লাউড কম্পিউটিং, সেন্সিং এবং নিরাপত্তার মতো প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে গবেষক, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাতের পেশাজীবী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতবিনিময় ও তাদের অত্যাধুনিক গবেষণালব্ধ ফলাফল তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়াই এই সম্মেলনের লক্ষ্য। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের গবেষকদের তাদের মৌলিক, অভিনব এবং অপ্রকাশিত গবেষণাপত্র এই সম্মেলনে জমা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কনফারেন্সে বাংলাদেশ ছাড়াও ইতালী, আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ, বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক গবেষক তাদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। কনফারেন্সের সহযোগী হিসেবে রয়েছে সেন্টার ফর ন্যাচারাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ (CNSER), ক্রিয়েটিভ ইনস্টিটিউটস অব ক্যারিয়ার্স, টেকনোলজি এন্ড রিসার্চ (CICTR) এবং স্প্রিংগার।
৫ দিন আগে