কানাডিয়ান কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অ্যান কারসন এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার নোবেল কমিটি তার নাম ঘোষণা করে।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭৬ বছর বয়সী কারসন এমন সব সাহিত্যকর্মের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যেখানে কবিতা, কথাসাহিত্য ও একাডেমিক গবেষণার সীমানা একে অপরের সঙ্গে মিশে গেছে।নোবেল কমিটি জানিয়েছে, ‘ধ্রুপদি ঐতিহ্যের সঙ্গে সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমকালীন সাহিত্যে নতুন নতুন রূপ সৃষ্টি করা সাহসী ও উদ্ভাবনী সাহিত্যকর্মের’ স্বীকৃতি হিসেবে কারসনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার সাধারণত একজন লেখকের দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের সঙ্গে এবার থাকছে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যার মূল্য প্রায় ৯ লাখ পাউন্ড বা ১২ লাখ মার্কিন ডলার।অ্যান কারসন প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য অনুবাদের জন্যও পরিচিত। পাশাপাশি তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্লাসিকস বা প্রাচীন গ্রিক-রোমান সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে অধ্যাপনা করেছেন।সাহিত্যজগতে কবিতা, অনুবাদ, গবেষণা ও বিভিন্ন সাহিত্যধারার সংমিশ্রণের মাধ্যমে নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করেছেন কারসন। নোবেল পুরস্কারের মাধ্যমে তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যকর্ম আন্তর্জাতিকভাবে আরও বড় স্বীকৃতি পেল।সূত্র: বিবিসি
৫ দিন আগে
বর্ষার মেঘ, বৃষ্টির সুর আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিল এক গভীর আত্মিক সম্পর্ক। যে ঋতুকে তিনি তার অসংখ্য কবিতা, গান ও সাহিত্যে অমর করে রেখেছেন, সেই বর্ষারই এক দিনে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছিলেন বিশ্বকবি। আজ ৬ আগস্ট, ২২ শ্রাবণ। বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ এই মনীষীর ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী।১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ (৭ আগস্ট ১৯৪১) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তবে মৃত্যুর আট দশকেরও বেশি সময় পরও তার সাহিত্য, দর্শন, সংগীত ও মানবিক চেতনা সমানভাবে আলোকিত করে চলেছে বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে এবং বিশ্বসংস্কৃতিকে।মাত্র আট বছর বয়সেই লেখালেখির সূচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি, চিঠিপত্র, শিশুসাহিত্য ও গানের অমূল্য ভাণ্ডারে। দুই হাজারেরও বেশি গান রচনা করে তিনি সৃষ্টি করেছেন এক অনন্য সংগীতধারা—রবীন্দ্রসংগীত, যা আজও বাঙালির জীবন, সংস্কৃতি ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ।শুধু সাহিত্য নয়, শিক্ষাচিন্তা, সমাজসংস্কার ও মানবকল্যাণেও রবীন্দ্রনাথ ছিলেন পথিকৃৎ। শিক্ষাকে প্রকৃতি ও মানবিকতার সঙ্গে যুক্ত করার স্বপ্ন থেকে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শান্তিনিকেতন, যা পরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে তিনি কৃষিঋণ ব্যবস্থা এবং পল্লি উন্নয়নমূলক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা সে সময়ের জন্য ছিল অত্যন্ত দূরদর্শী পদক্ষেপ।১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি ছিলেন এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য বিশ্বদরবারে এক নতুন মর্যাদা লাভ করে।মানবতা ও ন্যায়ের প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথ কখনো আপস করেননি। ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া 'নাইট' উপাধি ফিরিয়ে দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে মানবিক প্রতিবাদের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ (৭ মে ১৮৬১) কলকাতার জোড়াসাঁকোর খ্যাতনামা ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতা সারদা সুন্দরী দেবীর ১৫ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন ১৪তম। সাহিত্য, সংগীত, দর্শন ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধ পরিবেশে বেড়ে ওঠা রবীন্দ্রনাথ পরবর্তীকালে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার বুকে নৌভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে গভীরভাবে অনুভব করেন। সেই অভিজ্ঞতার ছাপ তাঁর অসংখ্য সাহিত্যকর্মে অমর হয়ে আছে।বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও রবীন্দ্রনাথের গান ছিল সাহস, আশা ও প্রেরণার উৎস। তার রচিত আমার সোনার বাংলা আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। একইভাবে ভারতের জাতীয় সংগীত জন গণ মন-ও তারই সৃষ্টি। বিশ্বের ইতিহাসে দুই দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক অনন্য সম্মানের অধিকারী।প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সাহিত্য ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, স্মরণানুষ্ঠান, কবিতা পাঠ, সংগীতানুষ্ঠান ও নানা আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে গীতিনাট্য শ্যামা মঞ্চস্থ করবে ছায়ানট। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল একজন কবি নন; তিনি বাঙালির আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক চিরন্তন প্রতীক। সময়ের সীমানা পেরিয়ে তার সৃষ্টি আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, আর তাই ২২ শ্রাবণ শুধু একজন কবির প্রয়াণের দিন নয়, তার অনন্ত উত্তরাধিকারের সামনে শ্রদ্ধাভরে মাথা নত করারও দিন।
২ মাস আগে
বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৯ জুলাই)। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া এই কিংবদন্তি লেখক আজও তার অসংখ্য পাঠকের হৃদয়ে সমানভাবে জীবন্ত।দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে তিনি আমাদের মাঝে না থাকলেও তার উপন্যাস, নাটক, চলচ্চিত্র ও সৃষ্ট চরিত্রগুলো আজও নতুন প্রজন্মকে মুগ্ধ করে চলেছে। শৈশবে তার ডাকনাম ছিল কাজল। জন্মের পর বাবা তার নাম রেখেছিলেন শামসুর রহমান। পরে নিজেই সেই নাম পরিবর্তন করে রাখেন হুমায়ূন আহমেদ।পরিবার থেকেই তিনি লেখালেখির অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। তার বাবা শহীদ ফয়জুর রহমান আহমদ ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। মুক্তিযুদ্ধের সময় পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শহীদ হন। লেখালেখির প্রতিও তার বাবার আগ্রহ ছিল এবং তিনি 'দ্বীপ নেভা যার ঘরে' নামে একটি বইও প্রকাশ করেছিলেন।মা আয়েশা ফয়েজ সাহিত্যচর্চায় নিয়মিত না হলেও 'জীবন যে রকম' নামে আত্মজীবনী রচনা করেন। হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের অন্যতম বিজ্ঞান শিক্ষক ও জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। আরেক ভাই আহসান হাবীব রম্যলেখক ও কার্টুনিস্ট হিসেবে সুপরিচিত।কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তবে সাহিত্য ও চলচ্চিত্র নির্মাণে পূর্ণ সময় দেওয়ার জন্য একসময় অধ্যাপনার চাকরি ছেড়ে দেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়ে নির্যাতনের শিকার হন। হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হলেও অলৌকিকভাবে তিনি প্রাণে বেঁচে যান।স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তার প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সাহিত্যজগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গ্রন্থ উপহার দেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, দেয়াল, মাতাল হাওয়া, শঙ্খনীল কারাগার, শ্রাবণ মেঘের দিন, গল্প, কবি, লীলাবতী, গৌরীপুর জংশন এবং এইসব দিনরাত্রি।আরও পড়ুন‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনশুধু সাহিত্য নয়, চলচ্চিত্র নির্মাতাও হিসেবে তিনি ছিলেন সমান সফল। তার নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন এবং ঘেঁটুপুত্র কমলা। পাশাপাশি টেলিভিশন নাট্যকার হিসেবেও তিনি দর্শকের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।আশির দশকের মাঝামাঝি প্রচারিত তার প্রথম ধারাবাহিক নাটক এইসব দিনরাত্রি তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে। তুলনামূলকভাবে কম গান লিখলেও তার রচিত গানও শ্রোতাদের কাছে সমাদৃত। অন্যদিকে তার সৃষ্ট কালজয়ী চরিত্র হিমু, মিসির আলী ও শুভ্র আজও তরুণ পাঠকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের নাম।বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ হুমায়ূন আহমেদ ১৯৯৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪) এবং বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ নুহাশপল্লীতে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি তার জন্মস্থানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা নানা স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।
২ মাস আগে
নান্দনিক গদ্যশৈলী ও অনুপ্রেরণামূলক লেখালেখির জন্য সুপরিচিত লেখক, সংগঠক নাজমুল হুদার জন্মদিন আজ। এইদিনে তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর পুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জন্ম-জেলার সাহিত্যানুকূল পরিবেশ ও পারিবারিক উৎসাহে বাল্যবেলায় থেকেই তিনি লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ ও সাংগাঠনিক কর্মকান্ডে সক্রিয় ছিলেন। ছাত্রাবস্থায় অংশ নিয়েছেন জাতীয় টেলিভিশন বিতর্কে; যুক্ত ছিলেন বেতার অনুষ্ঠান উপস্থাপনা ও ক্যাম্পাস সাংবাদিকতায়। পড়াশোনার পাট চুকিয়ে কর্পোরেট প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে কর্মরত আছেন বাংলাদেশ ব্যাংকে। পেশাগত দায়িত্বে পালনের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক সাহিত্যকর্মীদের সংগঠন ‘অধিকোষের’ সাধারণ সম্পাদক, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও অনুপ্রেরণামূলক পত্রিকা মাসিক ‘স্বপ্নশীলন’ এর প্রধান সম্পাদক ও বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরাম, ঢাকা এর যুগ্মপ্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বিতর্ক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠন ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশ বাংলাদেশ (এনডিএফ বিডি) এর কো-চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইউথ অরগানাইজেশন ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট (বিইওএসডি) এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। লেখালেখি, সম্পাদনা ও সাংগাঠনিক কর্মকান্ড ছাড়াও নাজমুল হুদা বিভিন্ন সংস্থা, সংঘ ও অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক সেশন, সেমিনার ও কর্মশালায় অতিথি বক্তা হিসেবে অংশ নিয়েছেন। যুক্তিবোধের জাগরণ ও আত্মিক উৎকর্ষ সাধনে তার সৃজনশীল প্রয়াস, উদ্বুদ্ধকরণ উদ্যোগ ও অনুপ্রেরণামূলক লেখালেখি সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। ক্যারিয়ার ক্যারিশমা, এক্স ফ্যাক্টর, বিজ্ঞান বিভ্রাট, জিনিয়াস জিসান, বিতকে হাতেখর্ড়ি, অনূর্ধ ঊনিশ, প্যাসিভ পুরুষসহ তাঁর লেখা বইগুলো ইতোমধ্যে বেশ পরিচিতি ও পাঠপ্রিয়তা পেয়েছে।
৪ মাস আগে