নোয়াখালীর সুধারামে প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রবিউল হোসেন ওরফে কালু (১৯) কে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে জেলার কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরমণ্ডলিয়া এলাকার রূপসী বাপের বাড়ির ছোটন নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার কালু নোয়াখালীর সুধারাম থানার ১১ নম্বর নেয়াজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধন্যপুর এলাকার জসিমের উদ্দিনের ছেলে। এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রী। গত ৫ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে সুধারাম থানার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর এলাকায় বাদীর রান্নাঘরের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে রবিউল তাকে ধর্ষণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২ দিন আগে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন, কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনে সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলম কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মো. আলী হোসেনের ছেলে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হাতিয়ায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি রওনা হয়েছিলেন। তবে ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হাতিয়ায় কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট সারণির ১০(খ) ও ২৬ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
২ দিন আগে
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) চলতি বছরের ২১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে র্যাগিংয়ের ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে দুই বছর এবং ছয় শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া দুই শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।গত ৯ অক্টোবর (শুক্রবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৭তম রিজেন্ট বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা যায়।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রাগিং এর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব ড. কামরুজ্জামান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সূত্র বলছে, ২১ জুলাই ফার্মেসি বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগ দেওয়া সময় মুশফিকুর রহমান তুহিন নামের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন, পরে তাকে জরুরি অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ৭৭তম রিজেন্ট বোর্ডের সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে সভার ৭৭.২০ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোট ৯ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার ও অর্থদন্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাত কর্মদিবসের মধ্যে পিতা-মাতাসহ কর্তৃপক্ষের কাছে মুচলেকা জমা দিবে বলে সিদ্ধান্তও ঐ সভায় হয়। এ ঘটনায় ফার্মেসি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. নাজমুস সাকিবকে ২ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়, একই বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জাহিদ হোসেন সরকার এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মিসকাত জাহান মুসফিক, ইউনুস হোসেন হিরাত, সাইদুর রহমান সিফাত ও সানোয়ার হোসেন তানিম এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ইসতিয়াক আহমেদ ইফতিকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। অন্যদিকে, ফার্মেসি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তামান্না তাজমিম তন্নীকে ১০ হাজার টাকা এবং সোহানুর রহমান সিফাতকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে সংবাদ দেখলাম। কিন্তু এখনো আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো কাগজপত্র আসেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। খুদেবার্তায় তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান। প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাংলা ক্লিনিক এলাকার একটি মেসে নবীন শিক্ষার্থীদের ডেকে নিয়ে র্যাগ দেয় সিনিয়র শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে মানসিক চাপে মুশফিকুর রহমান তুহিন নামের এক নবীন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত আটটার দিকে তাঁকে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাত এগারোটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা একটি নোহা গাড়ির চাপায় মেহরাজ হোসেন (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামের কচুয়া বাজারে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত মেহরাজ হোসেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জীবতলী ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামের মেজবা উদ্দিন ও শারমিন সুলতানা দম্পতির ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এশার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রাস্তা পার হচ্ছিল মেহরাজ। এ সময় অজ্ঞাতনামা একটি নোহা গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ হাসপাতালে পৌঁছে শিশুটির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।পুলিশ আরও জানায়, নিহত মেহরাজের মা কচুয়া বাজারের আলহেরা ইসলামি একাডেমির সহকারী শিক্ষিকা। তিনি পরিবার নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন।চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, বিষয়টি রামগঞ্জ থানাকে বেতার বার্তার মাধ্যমে জানানো হয়েছে। ফিরতি বেতার বার্তা পাওয়ার পর মরদেহ নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাটি রামগঞ্জ থানা এলাকায় ঘটায় নিহত শিশুর পরিবারকে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে